৪ নম্বর সংকেত : আরও শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’

৪ নম্বর সংকেত : আরও শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’
৪ নম্বর সংকেত : আরও শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’

দানবীয় রূপ নিয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। বঙ্গোপসাগরে গত ৪৩ বছরে এপ্রিল মাসে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে ‘ফণি’ সবচেয়ে শক্তিশালী বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠায় সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণি আরো উত্তরপশ্চিম
দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আজ দুপুর ১২ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে,
কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর/উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণি এখন বাংলাদেশের সমুদ্র উপকুল থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দুরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড় গতিপথ পরিবর্তন করলে বদলে যেতে পারে উপকূল অতিক্রম করার সময় ও স্থান। ফণির প্রভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ওড়িশার উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও কোথাও সেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০ মিলিমিটার ছাড়াতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও বৃষ্টিপাত হতে পারে।