হত্যার আগে হাত-পা বেধে ধর্ষণ করা হয় জিম্মিকে

হত্যার আগে হাত-পা বেধে ধর্ষণ করা হয় জিম্মিকে

রফিকুল ইসলাম সাজু -রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : রৌমারীতে মমতাজ আক্তার জিম্মি নামের ৮ম শ্রেণি পড়–য়া এক স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৮টার দিকে ব্রহ্মপুত্রের দূর্গম একটি চরের কাশবন থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর ৪ দিন আগে নিখোঁজ হয় জিম্মি।

ধারণা করা হয়, ওইদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ করা হয় তাকে। এরপর হাতপা বেঁধে ধর্ষণ করার পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। নিহত জিম্মি উপজেলার চরঘুঘুমারী এলাকার দিনমজুর শাহালম মিয়ার কন্যা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মমতাজ আক্তার জিম্মি পাখিউড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। কেবা কারা ওই স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ব্রহ্মপুত্র নদের চরের ওই কাশবনে রেখে যায়। নদে মাছ ধরতে যাওয়া একদল জেলে সন্ধ্যার দিকে লাশের খোঁজ পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে নিহতের পরিবার গিয়ে লাশ সনাক্ত করে এবং থানা পুলিশকে খবর দেয়।

থানা থেকে ঘটনাস্থল প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার দুরে। ফলে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পুলিশের সময় লাগে। এর আগে গত বুধবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ করা হয় তাকে। তবে অপহরণের সঙ্গে কারা জড়িত তাৎক্ষনিকভাবে তা জানা যায়নি।

পাখিউড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান দুলাল জানান, মেয়েটির গায়ে স্কুল ড্রেস এবং তার হাতপা বাধা ছিল। ধারনা করা হচ্ছে, একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। লাশের পঁচা গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে বোঝা যায় যেদিন নিখোঁজ হয় ওই দিনই তাকে খুন করা হয়েছে।

তিনি জানান, মেয়েটার মা মারা গেছে অনেক আগে। অনেক কষ্ট করে প্রায় ৪ কিলোমটিার দুর থেকে পায়ে হেঁটে স্কুলে আসতো সে। এবারের জেএসসি টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নিতো সে। তার মতে, এলাকার বখাটেরা মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে। বখাটেপনার কারনেই এ ঘটনা ঘটছে-এমনটাও আলোচনা হচ্ছে।

রৌমারী থানার ওসি হাসান ইনাম জানান, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ময়না তদন্তেরপর সব কিছু বের হয়ে আসবে।

 

আপনার মতামত লিখুনঃ