শোয়েবের ফেবারিট তালিকায় ভারত নেই, পাকিস্তান আছে

শোয়েবের ফেবারিট তালিকায় ভারত নেই, পাকিস্তান আছে
শোয়েবের ফেবারিট তালিকায় ভারত নেই, পাকিস্তান আছে

এফএনএস স্পোর্টস: ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ! শোয়েব আখতার স্মৃতিকাতর হয়ে উঠতেই পারেন। ১৯৯৯-এর আসরে ইংল্যান্ডে যে দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে উঠেও শেষ পর্যন্ত পারেনি পাকিস্তান। সেই আসর শোয়েবরা মনে রাখবেন বাংলাদেশের কাছে হেরে যাওয়ার জন্যও। শোয়েব এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে নিয়ে আবার আশায় বুক বাঁধছেন বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, অস্ট্রেলিয়াও অস্ট্রেলিয়া হয়ে উঠছে। বাজিটা তাহলে ফিঞ্চদের পক্ষেই ধরা যাক। আরে না, ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং মিলিয়ে ইংল্যান্ডই তো বেশি ভারসাম্যপূর্ণ দল।

সবচেয়ে ফেবারিট তো এউইন মরগানের দলই। ভারত আর পাকিস্তানই-বা বাদ যাবে কেন? এগিয়ে আসছে বিশ্বকাপ, এ রকম আলোচনা তো এখন হবেই। সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমী থেকে শুরু করে ক্রিকেটবোদ্ধাÑযে যাঁর ফেবারিট বাছতে ব্যস্ত এখন। তা পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার কোন দলকে ফেবারিট ভাবছেন? সম্প্রতি টুইটারে শোয়েব তাঁর সমর্থকদের সঙ্গে ১০-১৫ মিনিটের একটি প্রশ্ন ও উত্তর পর্বে অংশ নেন। সেখানেই শোয়েবের এক অনুসারী বিশ্বকাপে তাঁর ফেবারিট দলের নাম জানতে চান। উত্তর দিতে খুব বেশি সময় নেননি সাবেক পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার। জানিয়ে দেন আসছে বিশ্বকাপে তাঁর তিন ফেবারিটের নামÑইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান। ফেবারিটের তালিকায় শোয়েব ভারতকে রাখেননি।

সাম্প্রতিক সময়ে হোম সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভরাডুবির পরও পাকিস্তানের প্রতি শোয়েবের এতটা ভরসা করার কারণ কী? শুধুই দেশপ্রেম, নাকি বড় টুর্নামেন্ট এলে পাকিস্তানের ঝলসে ওঠার অতীত কিছু উদাহরণও? শোয়েব চাইলে গত চ্যাম্পিয়নস ট্রফির উদাহরণও দিতে পারেন। বিশ্বকাপের মহড়া টুর্নামেন্টে রূপ নেওয়া সেই আসর শুরুর আগে বেশির ভাগ মানুষই ফেবারিটের তালিকায় পাকিস্তানকে রাখেননি। সেই তারাই শেষে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারিয়ে হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। ইংলিশ কন্ডিশনে পাকিস্তানকে এগিয়ে রাখতে পারে ঐহিত্যগতভাবে তাদের একের পর এক দুর্দান্ত পেসার পাওয়াটাও।

প্রশ্নোত্তর পর্বের একপর্যায়ে আলোচনা শুরু হয় পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল নিয়ে। সেই আলোচনায় ছন্দে না থাকা ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমিরকে নিয়ে অনেককেই বেশ উদ্বিগ্ন মনে হয়েছে। বিশ্বকাপ দলে আমিরের থাকার সম্ভাবনা কতটুকুÑএ রকম একটি প্রশ্ন করেন এক শোয়েব-ভক্ত। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে আমিরের বাজে ফর্মের একটি নমুনাও তুলে ধরেন ওই ক্রিকেটপ্রেমী। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর থেকে ওয়ানডেতে ৯২.৬০ গড়ে মাত্র ৫ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি পেসার।

সবকিছু জানার পরও আমিরকে বিশ্বকাপের দলে রাখার পক্ষে শোয়েব, ‘আমির ছন্দে নেই ঠিক, তবে ইংলিশ কন্ডিশনে ওর বোলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’ পাকিস্তান একবারই বিশ্বকাপ জিতেছে, ১৯৯২ সালে। এ ছাড়া ফাইনালে উঠেছিল আর একবার। ১৯৯৯ আসরে। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত তারকা ছিলেন শোয়েব আখতার। ব্রেট লির সঙ্গে তাঁর গতির লড়াই বেশ জমে উঠেছিল সেবার।