লেবাছ রহিমা আক্তার রীমা

লেবাছ
রহিমা আক্তার রীমা
আমি একজন মুসলিম নারী,ধর্মীয় বিধিমতে আমার পোশাক হওয়া চাই পর্দানশীল।মানা না মানা নিজের উপর হলেও সবাইকে অন্তত মৃত্যু স্মরণ রাখতে হবে।আমরা যদি ধর্ম মানী,আল্লাহ ও নবীজীকে মানী তবে ইসলামের আদেশ-নিষেধ মেনে চলা উচিত।
আমার জন্মস্থান গাজীপুর জেলার, কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নে।আমাদের গ্রামের চারপাশে খ্রিষ্টান,সামান্য হিন্দুও আছে।কিন্তু রাস্তায় একটা মহিলা দেখলেই বুঝা যায় উনি কোন ধর্মের।কারণ হিসাবে মুসলমান মহিলারা বোরকা অথবা হিজাব পরিহিত থাকে বলে চিনা যায় উনি মুসলিম।
হিন্দুদের শাখা-সিঁদুর দেখলে চিনতে কষ্ট হয় না যে উনি হিন্দু কিন্তু ইদানিং সখের বশে প্রায় খ্রিষ্টান মহিলারা শাখা-সিঁদুর পড়ে বলে কিছুটা কনফিউশন লাগে যে উনি কোন ধর্মের।তবুও খ্রিষ্টানরা নাক ছিদ্র করে না ও শাড়ী পড়ার আলাদা একটা ভঙ্গি থাকে বিধায় চিনতে তেমন অসুবিধা হয় না।
কিন্তু বড়ই দুঃখের সাথে বলতে হয় যে বর্তমানে আমাদের মুসলমানরা আধুনিকতার নামে এমনভাবে উড়না ব্যবহার করে যে হয় গলায় না হয় বুকের একপাশে সো হিসাবে রেখে দেয়।যদি ওড়নায় আব্রুই না ঢাকে তবে উড়না নেওয়ার প্রয়োজন কেন?
আর শাড়ী পড়লে পাতলা শাড়ী সামনে সো হিসাবে দেওয়া হয় শরীরের সব যেন দেখা যায় আর পুরুষরা আকৃষ্ঠ হয়।
বড়ই আফসোস হয় সামনে এমন কাউকে দেখলে।মৃত্যু যে কোন সময় ঘটতে পারে,কতদিন আগে বনানীর অগ্নিকান্ডে একজন মহিলা পুড়ে মরার সময় কপালের টিপটা পুড়ে কপালে লেগে আছে!
তাই বলবো আমাদের মৃত্যু যেকোন সময় যেকোন পরিস্থিতিতে হতে পারে।কপালে টিপ,হাতে নেইল পালিশ ও ইসলাম পরিপন্থী পোশাক পরিহিত অবস্থায় যেন কোন মুসলমান নারীর মৃত্যু  না হয়।
না জেনে ও জেনে অনেক ভুল ও পাপকার্য করে ফেলি।
আল্লাহ সকল মুসলমান নর-নারীকে পাক-পবিত্র অবস্থায়,ইসলামী লেবাছ অনুযায়ী এবং মুখে কালেমা অবস্থায় যেন মৃত্যু দেন।পবিত্র এই রমজান মাসে পানাহার থেকে এই কামনা করি।আল্লাহ কবুল করুন। আমীন
আপনার মতামত লিখুনঃ