রেলওয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধের হাত ও কোমড় বাঁধলো পুলিশ

রেলওয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধের হাত ও কোমড় বাঁধলো পুলিশ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি।
লালমনিরহাট রেলওয়ে পুলিশের জমি উদ্ধার উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় আফছার আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধের হাত ও কোমরে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বেঁধে রাখে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে হাতীবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত জনতার প্রতিবাদের মুখে বৃদ্ধ আফছার আলীকে ছেড়ে দিয়ে ভুল স্বীকার করেন রেলওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মিজান। এর আগে মঙ্গলবার সকালে জেলার কাকিনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাকে আটক করা হয়।

রেলওয়ে পুলিশ সুত্রে জানান, লালমনিরহাট রেলওয়ে পুলিশ জেলায় রেলওয়ের জমি উদ্ধার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিদর্শক ইঞ্জিনিয়ার ডি এন মজুমদারের নেতৃত্বে জেলার কাকিনা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় রেলওয়ে পুলিশের কাজে বাধা ও বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন কালীগঞ্জ উপজেলার তালুক বানী নগর এলাকার আহম্মেদ শেখের ছেলে বৃদ্ধ আফছার আলী। কাজে বাধা ও বাক-বিতন্ড করার অপরাধে ওই বৃদ্ধাকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ।

হাতীবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন এলাকার লাদেন হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধকে ওভাবে তার দিয়ে বেধে রাখা ঠিক হয়নি। পরে এবিষয়টি প্রতিবাদ করলে পুলিশ বৃদ্ধকে ছেড়ে দেন।

পরে তাকে উচ্ছেদ অভিযানের গাড়ীতে তুলে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে হাত ও কোমরে বেঁধে গাড়ীতে আটকিয়ে রাখা হয়। ওই উচ্ছেদ অভিযানের গাড়ীটি হাতীবান্ধা রেলওয়ে ষ্টেশনের আসলে উপস্থিত লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন। প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিদর্শক ইঞ্জিনিয়ার ডি এন মজুমদার আটক ওই বৃদ্ধাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

এ ঘটনার জন্য উপস্থিত মিজানুর রহমান মিজান নামে পুলিশের এক কর্মকর্তা ভুল স্বীকার করে বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি না করতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিদর্শক ইঞ্জিনিয়ার ডি এন মজুমদার বলেন, বৈদ্যুতিক তার দিয়ে হাত ও কোমরে বেঁধে রাখা হয়েছে বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। আমি দেখা মাত্রই আটক বৃদ্ধকে ছেড়ে দিয়েছি।

আপনার মতামত লিখুনঃ