রংপুর নগরীর রেলক্রসিংয়ে হাজার মানুষের কর্মঘন্টা নষ্ট

রংপুর নগরীর রেলক্রসিংয়ে হাজার মানুষের কর্মঘন্টা নষ্ট
রংপুর নগরীর রেলক্রসিংয়ে হাজার মানুষের কর্মঘন্টা নষ্ট

হাসেম আলীঃ রংপুর নগরীতে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রেলক্রসিংয়ের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও চলাচলরত যাত্রী সাধারণ আটকা পড়ছে। এতে করে নানা রকমের ভোগান্তিতেসহ হাজার মানুষের কর্ম ঘন্টা নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থা নিরসনে দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, রেল চলাচলের জন্য রংপুর নগরীর ব্যস্ততম এলাকা মাহিগঞ্জ সাতামাথা, স্টেশন এলাকা, লালবাগ ও দর্শনা এলাকায় বর্তমানে রেলক্রসিং চালু রয়েছে।

৪টি রেলক্রসিং দিয়ে প্রতিদিন অনন্ত ১৫ বার ট্রেন যাওয়া-আসা করে। প্রতিবার ট্রেন আসলে অনন্ত আধঘন্টা ধরে ওই রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়। এতে করে দেখা যায় প্রতিদিন সাড়ে ৭ ঘন্টা মানুষের কর্মঘন্টা নষ্ট হচ্ছে।

বর্তমান উন্নয়নের যুগে যেখানে যান চলাচল বেড়েছে। সেই সাথে বেড়েছে মানুষের ব্যস্ততা এবং প্রয়োজন। যেখানে ট্রেন চলাচলের সময় এ ক্রসিংগুলো দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হচ্ছে। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। যান চলাচলে বিঘ্নতার সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় তারা নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না।

অগ্রাধিকার যান যেমন এ্যাম্বুলেন্স, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি ও আটকা পড়ছে। সঙ্গত কারণে নানা ভোগান্তির পাশাপাশি এসব সড়কে চলাচলরতদের কর্মঘন্টা নষ্টের পাশাপাশি অপুরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

শুধু তাই নয়, এসব রেলক্রসিংযের পাশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন স্টেশন এলাকায় রেলক্রসিংয়ের পাশে র‌্যাবের কার্যালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো রেলক্রসিংয়ের কারণে বিভিন্ন ভাবে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

তাই এসব বিবেচনায় সচেতন নগরবাসীসহ এসব এলাকায় দ্রুতই ওভার ব্রীজ বা ফ্লাইওভার নির্মাণ করার পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সামিল হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতনরা। এ ব্যাপারে সাতমাথা এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তপু, স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী নুর আলমসহ অসংখ্য মানুষ এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ