রংপুরে ফণীর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগাছালির ক্ষতি

রংপুরে ফণীর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগাছালির ক্ষতি রংপুরে ফণীর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগাছালির ক্ষতি
রংপুরে ফণীর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগাছালির ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতের বেশ কয়েকটি স্থানে ব্যাপক তান্ডব চালিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানা সুপার সাইক্লোন ফণীর প্রভাবে রংপুরে গাছগাছালিসহ আবাদি ফসলের ক্ষতি হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর জেলার বিভিন্নস্থানে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব পড়ে।

দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়ায় বিভিন্নস্থানে অন্তত অর্ধ শতাধিক গাছ ভেঙে পড়েছে বলে জানা যায়। এছাড়া বোরো ও ইরি ধানসহ অন্যান্য ফসলও ন্যুয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রংপুর মহানগরীর বদরগঞ্জ সড়কের টার্মিনাল রোডে ষাট উর্ধ্বো বয়সী একটি পাইকর গাছ শনিবার ভোরের ঝড়ে ভেঙে পড়ে। এছাড়া জেলার মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ি, সেরুডাঙ্গা, বদরগঞ্জের রামনাথপুরের ধাপপাড়া, পীরগাছায় তাম্বুলপুর ও দেউতি এলাকায় অর্ধশতাধিক গাছগাছালি ভেঙে পড়েছে।

এসব এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে ফণীর প্রভাবে বাতাসের প্রবল তোড়ে ন্যুয়ে পড়েছে আবাদি ফসল ও ধানের ক্ষেত।

এদিকে ফণীর প্রভাবে শনিবার (৪ মে) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত রংপুরের আকাশে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েছে। সাথে বাতাসে বেগও ছিল। ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়ার সাথে আকাশে বুকে ভাসমান কালো মেঘের উড়োউড়ি চোখে পড়ে। বাংলাদেশে ফণীর আঘাত নিশ্চিত হলে দুপুর থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সাথে বাতাসের বেগ নাড়া দেয় রংপুরবাসীকে।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব নিয়ে রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘ফণী দুর্বল হয়ে পড়ায় রংপুরের নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলসহ এই জেলাতে তেমন বড় ধরনের কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে ঝড়ের গতিবেগ কিছুটা বাড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক তারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াসহ বেশ কিছু গাছ-গাছালি উপড়ে পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, রংপুর অঞ্চলে ফণীর প্রভাবে বাতাসের গতি বেগ ছিলো ঘন্টায় ২৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার হতে পারে। ক্রমশ দুর্বল হওয়া ফণীর প্রভাবে প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।