রংপুরে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা কম দালাল ফড়িয়ার সংখ্যা বেশি

রংপুরে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা কম
রংপুরে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা কম

নজরুল মৃধাঃ রংপুরে বন্যা, বৃষ্টি ও করোনার কারণে  পশুর হাটগুলো এখনো  জমে উঠেনি। ক্রেতা না থাকার কারণে খামারীদের স্বপ্ন ভঙ্গের উপক্রম হয়েছে।  ক্রেতা- বিক্রেতা কম থাকলেও

পশুর হাটগুলোতে দালাল ফড়িয়াদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা গেছে। রংপুর অঞ্চলের বৃহৎ পশুর হাট লালবাগসহ আশেপাশের হাটে গিয়ে দেখা গেছে ক্রেতা বিক্রেতার চেয়ে দালাল ফড়িয়ার সংখ্যা বেশি।

সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় স্থায়ী হাট রয়েছে ২১২টি। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনে হাট রয়েছে ২২টি। প্রতিবছর বাংলা সনের বৈশাখ মাসে হাট ডাক হয়। তা চলে  চৈত্র মাস পর্যন্ত।

নগরীর বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে হারুন অর রশিদ দুটি আড়িয়া গরু লালবাগ হাটে  বেচতে নিয়ে এসেছেন। তিনি অভিযোগ করেন বৃষ্টি ও করোনা কারণে এমনিতেই ক্রেতার সংখ্যা কম।   দুএকজন ক্রেতা এলেও দালালরা নানা কৌশল অবলম্বন করে কমিয়ে দিচ্ছেন গরুর দাম। দু’দিন আগে তার খামারেই আড়িয়া দুটো যথাক্রমে বত্রিশ হাজার, ত্রিশ হাজার করে দাম উঠেছিল আর এখানে পচিঁশ হাজারের উপরে কোন ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। এসবই দালাল ফড়িয়াদের কারসাজি। নগরীর মর্ডান মোড় এলাকার দালাল আব্দুর রহমান,আবু বক্কর মধ্যস্বত্ব ভোগি হিসেব নিজেদের দাবি করছেন। আসলে তাদের কাজ হচ্ছে দালালি করে বাড়তি কিছু টাকা হাতিয়ে নেয়া। তারা জানান, কম দামে গরু ক্রয় করে সামনের হাটে বেচতে পারলে প্রতি গরুতে হাজার টাকার ওপর  লাভ হবে। দেখা গেছে, হাটগুলোর ৮০ ভাগই দখল করে রেখেছে দালাল ফড়িয়ারা।

লালবাগ হাটের রশিদ লেখক আফজাল হোসেন জানান,পশুর দাম গতবারের তুলনায় কম। তিনি বুধবার হটে আটটি রশিদ কেটেছেন সবগুলো গরুতেই খামারীর ক্ষতি হয়েছে  বলে আক্ষেপ করেছেন বিক্রেতারা।

রশিদ লেখক আব্বাস আলী জানান,  গতবারের থেকে দুই তিন হাজার টাকা কম দামে গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানালেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন বন্যা ও করোনার কারণে অনেকেই গরু কেনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পানেনি। তাই হাটে ক্রেতার চেয়ে দালাল ফরিয়ার সংখ্যাই বেশি।

আপনার মতামত লিখুনঃ