যে পেঁয়াজ গাছের আগায় হয়

যে পেঁয়াজ গাছের আগায় হয়
যে পেঁয়াজ গাছের আগায় হয়

পেঁয়াজ নিয়ে দেশজুড়ে হচ্ছে মহা হইচই। কারণ পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহে ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে অস্থির হয়ে ওঠে দেশের পেঁয়াজের বাজার। চড়া দামের ঝাঁঝে ঘরে ঘরে পেঁয়াজের ব্যবহার কমেছে। এমনকি অনেকে ইউটিউবে পেঁয়াজ ছাড়া রান্নার রেসিপি খুঁজে বেড়াচ্ছেন। অনেকে আবার পেঁয়াজ না কেনার পণ করে বসেছেন।

নানামুখী উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর পেঁয়াজের লাগামহীন বাজার শান্ত করতে মিশর, তুরস্ক, চীনসহ কয়েকটি দেশ থেকে বিমানে করে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার৷ আগামীকাল সন্ধ্যায় মিশর থেকে দেশে  পেঁয়াজের প্রথম চালান আসার কথা রয়েছে। মিশরের পেঁয়াজের প্রসঙ্গে যখন এল, তখন একটা চমকপ্রদ তথ্য না জানালেই নয়।

তা হচ্ছে, দেশটিতে ব্যতিক্রমী জাতের পেঁয়াজ পাওয়া যায়। মিশরের ‘ওয়াকিং অনিয়ন’, বাংলায় বললে ‘হাঁটা পেঁয়াজ’। এই পেঁয়াজের জাত অন্য জাতের তুলনায় আলাদা। বেশিরভাগ জাতের পেঁয়াজ যেখানে মাটির নিচে জন্মে অর্থাৎ গাছের গোড়ায় ধরে, সেখানে এই পেঁয়াজ গাছের আগায় ধরে!

ওয়াকিং অনিয়ত আকৃতিতে ছোট। এই পেঁয়াজের স্বাদ সাধারণ পেঁয়াজের মতো হলেও, ঝাঁঝ কিছুটা তীব্র। গাছের ডগাতেই এই পেঁয়াজে শিকড় তৈরি হয় এবং ডগা ভারি হয়ে মাটি স্পর্শ করার পর সেখান থেকে নতুন পেঁয়াজ গাছ জন্মে।

ওয়াকিং অনিয়ন গাছ ২৪ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে। একটি গাছ থেকে বছরে সাধারণত ছয়টি পেঁয়াজ গাছ হয়। এই ধরনের পেঁয়াজকে ‘ট্রি অনিয়ন’, ‘ইজিপশিয়ান ট্রি অনিয়ন’, ‘টপ অনিয়ন’, ‘উইন্টার অনিয়ন’ ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়। বৈজ্ঞানিক নাম অ্যালিয়াম এক্স প্রোলিফেরিয়াম।

আপনার মতামত লিখুনঃ