মোদীকে ভোট মানেই পাকিস্তানকে ভোট দেওয়া, আক্রমণ কংগ্রেসের

মোদীকে ভোট মানেই পাকিস্তানকে ভোট দেওয়া, আক্রমণ কংগ্রেসের
মোদীকে ভোট মানেই পাকিস্তানকে ভোট দেওয়া, আক্রমণ কংগ্রেসের

এনএনবি : ভারতে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোট বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। কিন্তু তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই এবার পাকিস্তান নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিরোধীদল কংগ্রেস।
এজন্য তারা হাতিয়ার করেছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মক্তব্যকে। সরাসরি আক্রমণ করে কংগ্রেস বলেছে, মোদীকে ভোট দেওয়া মানেই পাকিস্তানকে ভোট দেওয়া।

এবছরের লোকসভা নির্বাচনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জিতলে কাশ্মীর ইস্যুতে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ভালো সুযোগ থাকবে। কিন্তু কংগ্রেস জিতলে সে সম্ভাবনা থাকবে না- এই ছিল ইমরানের মন্তব্য।
ভারতে নির্বাচনের আগে দিয়ে ইসলামাবাদে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে পাক প্রধানমন্ত্রী একথা বলার মধ্য দিয়ে মোদীর জয় চাওয়ারই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আর এরপরই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরেজওয়ালা মোদীর বিরুদ্ধে টুইটারে সরব হয়েছেন বলে জানিয়েছে ‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’।
সুরেজওয়ালা টুইটে লিখেছেন, “পাকিস্তান সরকারিভাবে মোদীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। তাই মোদীকে ভোট দেওয়া মানে পাকিস্তানকেই ভোট দেওয়া।”
তিনি আরো লেখেন “মোদীজী, প্রথমে নওয়াজ শরিফের প্রতি ভালবাসা দেখিয়েছিলেন। এখন ইমরান খানও আপনার প্রিয় বন্ধু। ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে এসেছে।”

অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পাকিস্তানের বালাকোটে হামলার ঘটনার পর থেকে কংগ্রেসকেই পাকিস্তান নিয়ে আক্রমণ করে আসছিলেন। পাকিস্তানের জন্য কংগ্রেসেরই সমবেদনা বেশি বলে তিনি বারবার দাবি করেছেন। আর এখন তিনিই পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেন।
কংগ্রেসের পাশাপাশি সিপিএম এর সাধারণ সম্পাদক সিতারাম ইয়েচুরিও বলেছেন, “পাকিস্তান কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে চায় সেটি এখন জানা হয়ে গেল।”

তিনি বলেন, “মোদীর নির্বাচনী প্রচারের একমাত্র ইস্যুই ছিল পাকিস্তান। এ ইস্যুকে তিনি বিরোধীদলের সঙ্গে জুড়ে দিতে চেয়েছিলেন। এখন আমরা জেনে গেছি পাকিস্তান আসলে কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে চায়। তিনি ভারতের একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি আইএসআইকে সামরিক ঘাঁটিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আর বিনা আমন্ত্রণে পাকিস্তানে হাজির হওয়া ভারতের একমাত্র প্রধানমন্ত্রীও তিনিই।’

ইয়েচুরির কথায়, “বিদেশি সরকার ভারতের নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে। এটি খুবই উদ্বেগজনক। কারণ, এর আগে আইএসআই মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে চেয়েছিল আর এখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও মোদীর জয় দেখতে চাইছেন।”

আপনার মতামত লিখুনঃ