মুসলিমদের ঐক্য জরুরি বিশ্বশান্তির জন্য

মুসলিমদের ঐক্য জরুরি বিশ্বশান্তির জন্য

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মুসলমানদের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠা হওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। রোববার সকাল ৭টায় জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের ধর্ম, দাওয়াহ ও গাইডেন্স বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আল শেখের সঙ্গে এক বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক সুদৃঢ় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ। সৌদি মন্ত্রী এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও উন্নয়নে বিচক্ষণ নেতৃত্বর প্রশংসা করেন।

সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে ‘কিং আবদুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল কোরআন মেমোরাইজেশন কন্টেস্টে’ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ছয় দিনের সফরে গেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। রোববার সকালে সৌদি আরবে পৌঁছান তিনি। মক্কা শরিফের পবিত্র মসজিদুল হারামে (৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কোরআন মেমোরাইজেশন কন্টেস্টের ৪১তম প্রতিযোগিতা চলছে। এতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশের প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মুসলমানদের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠা হওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
রোববার সকাল ৭টায় জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের ধর্ম, দাওয়াহ ও গাইডেন্স বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আল শেখের সঙ্গে এক বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক সুদৃঢ় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ।

সৌদি মন্ত্রী এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও উন্নয়নে বিচক্ষণ নেতৃত্বর প্রশংসা করেন।

সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে ‘কিং আবদুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল কোরআন মেমোরাইজেশন কন্টেস্টে’ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ছয় দিনের সফরে গেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। রোববার সকালে সৌদি আরবে পৌঁছান তিনি।
মক্কা শরিফের পবিত্র মসজিদুল হারামে (৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কোরআন মেমোরাইজেশন কন্টেস্টের ৪১তম প্রতিযোগিতা চলছে। এতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশের প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন মাধ্যমে বান্দার মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। সে জন্যে বিভিন্ন রোগ-বালাই দিয়ে পরীক্ষাও করেন। আবার কখনো এমন হয় যে, আল্লাত তাআলা বান্দার জন্য জান্নাতে উচ্চ মর্যাদার আসন নির্ধারণ করে রেখেছেন, কিন্তু বান্দা নিজের আমলের মাধ্যমে সেখানে পৌঁছতে সক্ষম নয়। তাই বিভিন্ন ছোট-খাটো পরীক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে সে মর্তবায় পৌঁছিয়ে দেন।

একদিন রাসুল (সা.) আয়েশার (রা.) কাছে গেলেন। দেখলেন আয়েশা কপালে একটি জলপট্টি দিয়ে আছেন এবং ব্যথার প্রকোপে কাঁপছেন। রাসুল (সা.) জিজ্ঞেস করেন, ‘কী হয়েছে তোমার আয়েশা?’ বলেন, ‘জ¦র হয়েছে। আল্লাহ দ্রুত আরোগ্য দান করুন।’ রাসুল (সা.) বলেন, ‘জ¦রকে মন্দ বোলো না। এটি বনি আদমের গুনাহকে এভাবে দূর করে দেয়, যেভাবে আগুন শুকনো লাকড়িকে জ¦ালিয়ে শেষ করে দেয়।’ (মুসলিম, হাদিস: ২৫৭৫)

আরেকবার নবী (সা.) প্রচ- জ¦রে কাঁপছিলেন। এমন সময় আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) নবী (সা.)-এর কাছে এলেন। তখন রাসুল (সা.) বললেন, ‘মুমিন যখন কোনো (বিপদ) কষ্টে আক্রান্ত হয়, তখন আল্লাহ বিনিময়ে তার গুনাহগুলো (ঝরিয়ে দেন) মাফ করে দেন; যেমন (শীতকালে) গাছের পাতা ঝরে পড়ে।’ (মুসলিম, হাদিস: ৫৬৪৭)

ইবনে হিব্বান রাসুলের একটি হাদিস বর্ণনা করেছে যে, তিনি বলেন, ‘বান্দার জন্য আল্লাহর দরবারে একটা স্থান নির্ধারিত রয়েছে, কিন্তু বান্দা নিজের আমলের মাধ্যমে সে স্থানে পৌঁছতে সক্ষম নয়। এজন্য আল্লাহ তাআলা বান্দার অপছন্দ হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন পরীক্ষা ফেলেন, যাতে নিজের মর্যাদার আসনে পৌঁছুতে পারে।’ (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ১৬৯/৭)

আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোনো রোগ আমার কাছে জ¦রের চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। কেননা জ¦র শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও জোড়ায় পৌঁছে যায়। আর আল্লাহ তাআলা সে অনুপাতে সওয়াব দিয়ে থাকেন।’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং: ৫০৩)
ড. মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-আরিফির লেখা অবলম্বনে

আপনার মতামত লিখুনঃ