মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদনে রেকর্ড

মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদনে রেকর্ড
মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদনে রেকর্ড

এফএনএস: লোকসানের আবর্ত থেকে বেরিয়ে এই প্রথম লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত হলো দিনাজপুরের পার্বতীপুরে দেশের একমাত্র খনিজ পাথর উত্তোলন প্রতিষ্ঠান মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)।

এ সাফল্য উদযাপনে খনি পরিচালনা, উৎপাদন ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেলারুশভিত্তিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেষ্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) মধ্যপাড়া পাথর খনি ও জিটিসি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, খনি শ্রমিক, খনি পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ ১০ হাজার অতিথিকে শুক্রবার বিকেল ৩টায় প্রীতিভোজে আপ্যায়িত করে। এ উপলক্ষে খনি পার্শ্ববর্তী মধ্যপাড়া কলেজ মাঠে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশ-বিদেশের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এর আগে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া টেষ্ট কনসোর্টিয়ম (জিটিসি)’র চেয়ারম্যান ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম কাজীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এম.পি।

প্রধান অতিথি বলেন, জিটিসির পরিচালনায় দেশের একমাত্র পাথর খনি লোকসানের ধারা থেকে বেরিয়ে লাভজনক পর্যায়ে উপন্নীত হওয়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ও খনি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও খনি শ্রমিকদের তিনি ধন্যবাদ জানান।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন-খনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান (জিটিসি’র) নির্বাহী পরিচালক জাবেদ সিদ্দিকী, পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুল ইসলাম প্রামানিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ মিথুন মুন্নী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু তাহের মোহাম্মদ সামছুজ্জামান, পার্বতীপুর মডেল থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মোখলেছুর রহমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান শাহ প্রমুখ।

খনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান (জিটিসি’র) নির্বাহী পরিচালক জাবেদ সিদ্দিকী বলেন, মধ্যপাড়া পাথর খনি থেকে বর্তমানে প্রতিদিন তিন শিফটে ৬ হাজার মেঃ টন পাথর উৎপাদিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ঠিকারদারী প্রতিষ্ঠানটি পাথর উত্তোলনে পূর্বের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এবং খনিটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে বলে তিনি জানান। তারা দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে এ খনি থেকে এক শিফটে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ মেঃটন পাথর উত্তোলন করা সম্ভব হতো। তিনি দাবী করেন, এখনির উৎপাদিত পাথরের গুণগতমান ভালো। তাই তিনি দেশের সরকারী বে-সরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে এ খসিন পাথর ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।

আপনার মতামত লিখুনঃ