ভারত যাচ্ছে আবাহনী

শপথের জন্য সরকারের চাপ দেওয়ার কিছু নেই : প্রধানমন্ত্রী

মিনার্ভা পাঞ্জাবের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছিল জয় দিয়ে এএফসি কাপ শুরু করা আবাহনী লিমিটেড। এবার তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক ভারতীয় ক্লাব চেন্নাইয়ান এফসি, প্রতিপক্ষের মাঠে ‘ই’ গ্রুপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলবে তারা। ৩০ এপ্রিল আহমেদাবাদের দ্য অ্যারেনায় নামবে বাংলাদেশি ক্লাব। শনিবার সকালে ভারতের বিমান ধরবেন ফুটবলাররা। তবে তার আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরো কোচিং স্টাফদের নিয়ে দেশ ছাড়ছেন কোচ মারিও লেমস।

এএফসি কাপে গ্রুপের দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে আবাহনী। প্রথম ম্যাচে নেপালের মানাং মার্সিয়াংদিকে ১-০ গোলে হারায়। দ্বিতীয় ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও ড্র করে মিনার্ভার সঙ্গে। চেন্নাইয়ানের বিপক্ষেও অজেয় থাকতে চায় আবাহনী। যদিও বিমানে ওঠার আগে তাদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে স্ট্রাইকার সানডে চিজোবাকে সঙ্গী হিসেবে না পাওয়া।

মিনার্ভার বিপক্ষে দ্বিতীয় গোল করা নাইজেরিয়ান এই তারকা ভারতের ভিসা পাননি। তাই তিন বিদেশি নিয়ে খেলতে হবে তাদের। সানডের অনুপস্থিতি দলের জন্য বড় ক্ষতি বলছেন পর্তুগিজ কোচ লেমস। তিনিবলেছেন, ‘সানডে খেলতে পারবে না। এটা আমাদের জন্য বড় ক্ষতি। সে দলের অপরিহার্য খেলোয়াড়। আগের ম্যাচে গোল পেয়েছে। লিগেও ফর্মে আছে। তবে এখন কিছু করার নেই। আমাদের অন্যভাবে দল সাজাতে হবে।’
সানডে না থাকলেও চেন্নাইয়ানের বিপক্ষে ৩ পয়েন্টের লক্ষ্য নিয়েই খেলবে আবাহনী। এক কথায় অজেয় থাকতে চান লেমস, ‘আমরা তিন পয়েন্টের জন্য ভারতে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত আমরা এএফসি কাপে হারিনি। এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। তিন পয়েন্টের জন্য লড়বো আমরা। যদি সেটা সম্ভব না হয়, তাহলে এক পয়েন্ট পেলেও খারাপ ফল হবে বলে মনে হয় না।’

শুধু সানডে নয়, ডিফেন্ডার তপু বর্মণকেও এই ম্যাচে পাচ্ছে না আবাহনী। এ ছাড়া টুটুল হোসেন বাদশাকে নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে দীর্ঘদিন ইনজুরিতে থাকা তরুণ ফরোয়ার্ড সাদ উদ্দিন এই ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত।

দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু বলেছেন, ‘সানডে না থাকাটা বড় ক্ষতি। তবে যারা আছে, তাদের নিয়ে খেলতে হবে। আশা করছি ইতিবাচক ফল নিয়ে আমরা দেশে ফিরতে পারবো।’