ফুলবাড়ীর খেয়াঘাট ১৪ দিন ধরে বন্ধ

ফুলবাড়ীর খেয়াঘাট ১৪ দিন ধরে বন্ধ

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : ১৪.৭.১৯

খেয়া ঘাট ডাক (লীজ) নিয়ে বন্ধ করেছে লোক পাড়াপাড় । দুর্ভোগে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ । ঘাট ইজারাদারের টালবাহনায় ১৪ দিন ধরে চলছে না নদী পথে নৌকা। এটি হচ্ছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের ধরলা নদীর খেয়া ঘাটে(ঘেরুরঘাট)।দ্রুত খোলে দেয়ার জন্য সুবিধাভোগিরা অভিযোগ করেছে প্রশাসনের কাছে ।

আঃ ছালাম জানান লালমনিরহাট জেলার মিজান মিয়া নামের এক ব্যক্তি কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ এক বছরের জন্য ৭০ হাজার টাকায় ইজারা নেন ঘেরুর ঘাট। পহেলা জুলাই থেকে ঘাট পরিচালনা কথা থাকলে এখন পর্যন্ত তা চালু করেনি। আর পুরাতন ইজারাদার ওবাইদুল হক তার নৌকা ও ঘর সড়িয়ে নিয়েছেন। ফলে এ অঞ্চলের কয়েকটি বাজারের ব্যবসায়ী সাধারন মানুষ বিপাকে পড়েছে ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে মালামাল ক্রয় করে এ ঘাট দিয়ে সহজেই যাতায়ত করেন। লালমনিরহাট সদর উপজেলাসহ মোগলহাট, দুরাকুটিহাট, মেগারাম, ভাটিবাড়ী ও কোদাল খাতা হাট-বাজারে গিয়ে কলা বিক্রি করতেন ব্যবসায়ীরা । তাছাড়া লালমনিরহাট সরকারী কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধশত শিক্ষার্থী এই ঘাট দিয়ে প্রতিষ্ঠানে পাড়াপাড় হয়। কিন্তু দীর্ঘ ১৪ দিন থেকে খেয়া ঘাট বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে। এখন ৫০ কিলোমিটার ঘুড়ে যাইতে হচ্ছে জেলা শহরে।

কলা ব্যবসায়ী নুর ইসলাম মগর আলী জানান, ১৪ দিন ধরে ঘাট বন্ধ থাকায় কলা বাড়ীতে পঁচে যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে পানির দামে কলা বিক্রি করছি।

ওই এলাকার শিক্ষক রেদওয়ানুল ইসলাম, দ্রুত ঘাট চালুর জন্য কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও ঘাট চালু হচ্ছে না।
ঘাট ইজারাদার মিজান মিয়াকে মোঠা ফোনে যোগাযোগ করা হলে পত্রিকায় খবর প্রকাশ না করার জন্য বলেন। কিন্তু কবে ঘাটটি চালু করবেন তার কোন সদুত্তোর দেননি তিনি ।

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মোছাঃ আলেয়া খাতুন জানান, খেয়াঘাট কেন বন্ধ তার দ্রুত খোলে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে । আর কেন বন্ধ ছিলে সে জন্য ইজারাদারকে চিঠি দেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুনঃ