পেঁয়াজ রফতানি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ভারতের

পেঁয়াজ রফতানি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ভারতের

স্থানীয় বাজারে দ্বিগুণের বেশি দাম বাড়ায়, পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। দুপুরে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে সিদ্ধান্ত তাৎক্ষনিক বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়।

টানা বৃষ্টিপাত ও দেরিতে ফলন হওয়ায়, গেল কয়েক মাস ধরেই রফতানি মূল্য নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলো বিশ্বের শীর্ষ পেঁয়াজ রফতানিকারক দেশটি। এর জের ধরে গত ১৩ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজের রফতানি মূল্য ৩ গুণ বাড়িয়ে প্রতি টন ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে ভারত। দাম বেড়ে যায় বাংলাদেশেও।

বিকল্প হিসেবে মিসর, তুরষ্ক ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। তা কার্যকর হবার আগেই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দিলো ভারত। ধারণা করা হচ্ছে, অক্টোবরে নতুন মৌসুম শুরু হলে আবারও পেঁয়াজ রফতানি শুরু করবে দেশটি।

এদিকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নতুন করে আর কোন এলসির বিপরীতে ভারত থেকে কোন পেঁয়াজ আমদানি করা যাবেনা বলে জানিয়েছেন হিলি স্থল বন্দরের পেঁয়াজ আমদানি কারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানি কারকরা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে জানান, পেঁয়াজ সংকটের অজুহাতে ভারত সরকার বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।

এসংক্রান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পর ভারতের কাস্টমস কর্মকর্তারা বেলা ৪টা থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। যদিও আজ রোববার দিনের প্রথম দিকে এবন্দর দিয়ে ১৫ টি ট্রাকে প্রায় সাড়ে তিনশ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে।

এদিকে ভারত সরকারের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণায় বন্দরে পেঁয়াজের দাম এক লাফে ১৫ থেক ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল হিলি স্থলবন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪৮ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হলেও আজ রোববার তা বেড়ে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুনঃ