পুলিশ বাহিনীর পেছনে ব্যয়কে বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ বাহিনীর পেছনে ব্যয়কে বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পুলিশ বাহিনীর পেছনে ব্যয়কে বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ বাহিনী জনগণের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- এই বাহিনীর উন্নয়নে আর্থিক বরাদ্দকে সরকার বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে।

রোববার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনীতে এ কথা বলেন তিনি। এ সময়, পুলিশকে জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে সেবা দেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাহিনীটির ভূমিকার প্রশংসাও করেন সরকার প্রধান।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ উপলক্ষে রোববার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাহিনী প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে প্যারেড কারে তিনি পরিদর্শন করেন বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগের সুসজ্জিত দল।

পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিকতায় বাহিনীর বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের সমন্বিত কুচকাওয়াজ থেকে সালাম জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে। পরে, পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবার মাধ্যমে পুলিশের প্রতি আস্থা ফিরেছে মানুষের। লক্ষ্য এখন আরো জনবান্ধব হওয়ার।

পুলিশ বাহিনী প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে– এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশকে জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জনগণের মন থেকে পুলিশ-ভীতি দূর করতে হবে।

তিনি পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, ধাপে ধাপে পুলিশের জনবল বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তোলা হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুলিশের সব সদস্যের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা যাতে আজীবন রেশন পায় সে ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

পুলিশের উন্নয়নে ব্যয়কে সরকার জনগণের স্বার্থে, জনগণের জন্য একটি বিনিয়োগ বলেই মনে করে বলেও এ সময় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এটা ধরে রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা, যে সোনার বাংলার স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় পুলিশ পদক পাওয়া সবাইকে অভিনন্দন জানান। পরে তিনি পুলিশ সপ্তাহ ২০২০-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ১১৮ জনকে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল-বিপিএম ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল-পিপিএম ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।