পাটগ্রামে এইচএসসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে ৩৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

পাটগ্রামে এইচএসসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে ৩৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
পাটগ্রামে এইচএসসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে ৩৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

পাটগ্রাম প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার দুইটি কেন্দ্র থেকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩৩ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিস্কারকৃত শিক্ষার্থীরা কলেজ অধ্যক্ষদের প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবী করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের নিচে দুই ঘন্টা ব্যাপী অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা।  সোমবার ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীা চলাকালে পাটগ্রাম আব্দুল গণি জসীম উদ্দিন সরকারী কলেজ ও পাটগ্রাম মহিলা কলেজে কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, এইচএসসি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীা চলাকালে শিক্ষার্থীরা নকল করার চেষ্টা করলে তা হাতেনাতে শিার্থীকে ধরে ফেলেন কেন্দ্রেন পরিদর্শক। এ সময় পাটগ্রাম আব্দুল গণি জসীম উদ্দিন সরকারী কলেজ ১৫ পরীক্ষার্থী ও পাটগ্রাম মহিলা কলেজে কেন্দ্রে ১৮ পরীক্ষার্থ কে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভার.) ও কেন্দ্র সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন কক্ষ পরিদর্শনের সময় বেলা ১২ টা ৩৫ মিনিটে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সহকারি সচিব ১৫ পরীক্ষার্থীর নিকট ফটোকপি নকল পেয়ে খাতা জমা নেন। অসৎ উপায় অবলম্বনকারী শিক্ষার্থীদেরকে যথানিয়মে বহিস্কার করার নির্দেশ দেন।’

এ বিষয়ে পাটগ্রাম মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রে সচিব মিজানুর রহমান মিলু বলেন, ‘পরীক্ষার শেষ সময়ের দিকে কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ম্যাজিস্ট্রেট সুইচিং মং মারমা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফিরে যাওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীরা হলরুমে নকল করতে থাকেন এ সময় কক্ষ পরিদর্শক তাদের বহিষ্কার করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পরীক্ষার্থী সাংবাদিকদের নিকট নকল করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, কী জন্যে বহিস্কার করা হয়েছে এটা আমরা জানি না। কলেজের অধ্যক্ষদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি হতে হল আমাদেরকে। আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবী করছি।

শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম পাটগ্রাম সরকারী কলেজ, মহিলা কলেজ ও আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ, কেন্দ্র সচিব, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সহকারি সচিব এবং ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে নিয়ে দেড় ঘন্টা ব্যাপী রুদ্ধদার বৈঠক করেন। বৈঠকে বহিস্কৃতের ঘটনায় কোনো সুরাহা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুনঃ