পহেলা বৈশাখে রাজধানীর উৎসবস্থলগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে
পহেলা বৈশাখে রাজধানীর উৎসবস্থলগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে

এনএনবি : র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ানের (র‌্যাব) ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (ডিজি) কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর উৎসবস্থলগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং তা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে র‌্যাব। তিনি বলেন, নববর্ষকে ঘিরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে র‌্যাব ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠানকে ঘিরে র‌্যাবের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মূফতি মাহমুদ খান, র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমরানুল হাসানসহ র‌্যাবের অন্যান্য ব্যাটালিয়ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাব ডিজি বলেন, পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নগরীর রমনা পার্ক, সোহরওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নাশকতা ঠেকাতে র‌্যাবের নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ ঘিরে কোনো ধরনের হুমকি আছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কোনো হুমকি নেই। রাজধানীতে র‌্যাবের পাঁচটি ব্যাটেলিয়ানের অধিকাংশ কর্মকর্তারাই নববর্ষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।

তিনি বলেন, রমনা বটমূলসহ গুরুত্বপূর্ণ সব ভেন্যুতে ডগ স্কোয়াডসহ বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট সুইপিং করবে। এছাড়া টহল টিম, মোটরসাইকেল পেট্রোল ও অবজারভেশন পোস্ট থাকবে। তিনি আরো বলেন, বড় ভেন্যুগুলো মনিটরিং করার জন্য আমরা নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করেছি। বড় ভেন্যুতে মোবাইল কোর্টসহ মেডিকেল টিম থাকবে, যাতে দেশের মানুষ নিবিঘেœ নববর্ষ উদযাপন করতে পারে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গতকাল শুক্রবার থেকেই বর্ষবরণ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে র‌্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলছে এবং আজ থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে তা মনিটরিং করা হবে, যা নববষের্র রাত দশটা পর্যন্ত চলমান থাকবে।

তিনি বলেন, নববর্ষ উদযাপনে রমনায় স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স, ইভটিজিং প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট থাকছে। টহল টিম, ফুট পেট্রোল, ওয়াচ টাওয়ার ও মোটর সাইকেল পেট্রোলের ব্যবস্থা থাকছে।