দুশ্চিন্তা যখন ‘ফিনিশিং’ নিয়ে

দুশ্চিন্তা যখন ‘ফিনিশিং’ নিয়ে
দুশ্চিন্তা যখন ‘ফিনিশিং’ নিয়ে

বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা দুই ম্যাচ জিতে সহজেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। তবু একটা দুশ্চিন্তা স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছে না মৌসুমী-স্বপ্নাদের। দুই ম্যাচে আক্রমণের ঢেউ তুলে অজ¯্র সুযোগ পেলেও চারটির বেশি গোল পায়নি স্বাগতিক দল। সেমিফাইনালের আগে গোল মিস নিয়ে বাংলাদেশের যত দুর্ভাবনা।

সংযুক্ত আরব-আমিরাতকে ২-০ আর কিরগিজস্তানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শ্রেষ্ঠত্ব মুঠোবন্দি করলেও উচ্ছ্বসিত নন গোলাম রব্বানী ছোটন। শনিবার বাংলাদেশ কোচ সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচের চেয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে আমাদের ফিনিশিং ভালো হয়েছে। তবে সেমিফাইনালের আগে ফিনিশিং নিয়ে আমাদের আরও কাজ করতে হবে। কারণ ফিনিশিং নিয়ে আমাদের সমস্যা আছে। এখানে আত্মতুষ্টির কোনও অবকাশ নেই।’

লাল-সবুজ দলের অধিনায়ক মিশরাত জাহান মৌসুমীর কণ্ঠেও গোল মিসের আক্ষেপ, ‘আমাদের ওপরে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা। আমরা সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছি না। সেজন্য দেশের মানুষের কাছে দলের পক্ষ থেকে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা চেষ্টা করছি, সুযোগও পাচ্ছি, কিন্তু কাজে লাগাতে পারছি না। ফিনিশিং ভালো হলে আমরা হয়তো ৮/৯ গোলে জিততাম।’
যদিও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে তিনি সন্তুষ্ট, ‘গ্রুপ সেরা হয়ে আমরা অবশ্যই খুশি। মেয়েরা পুরো ৯০ মিনিট ভালো খেলার চেষ্টা করছে। কিরগিজস্তানের বিপক্ষে ২৯ সেকেন্ডে গোল করেছি। সেমিফাইনালে আরও ভালো খেলা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো।’

বাংলাদেশের পরেই লাওসের খেলা নজর কেড়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। মঙ্গোলিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে তারা টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট। ফরোয়ার্ড সানজিদা আক্তার অবশ্য লাওসকে নিয়ে চিন্তিত নন, ‘লাওস ভালো দল হলেও আমাদের দলটিও ভালো। আমরা তো ফাইনালে খেলার আশা করছি। সেখানে লাওসকে পেলে দারুণ লড়াই হবে। আমরা অস্ট্রেলিয়া-জাপান-কোরিয়ার মতো দলের বিপক্ষে খেলেছি। তাই কোনও দলকেই ভয় পাই না।’