টিয়া ও খোকা জুবায়ের দুখু

টিয়া পাখি কথা কও তো
আমার খোকার সাথে
দেইখো খোকা হাসবে অনেক
তোমার  ওই কথাতে।

পরাণ ভরে ডাকলো টিয়া
খোকার মুখে চেয়ে
কি আনন্দ কি আনন্দ
খোকা টিয়া পেয়ে।

বন্দী খাঁচায় বন্ধী থাকে
টিয়া আর এই খোকা
পিতামাতা চাকরি করে
সকাল সন্ধ্যা দেখা।

বিষাদ মনের সঙ্গী পেলো
হাটের কেনা টিয়া
খোকা এখন খেলা করে
টিয়া পাখি নিয়া।

মিঠাই খেয়ে
জুবায়ের দুখু

দাদার সাথে হাটে গেলো
খুকী ও খোকা
দাদার টাকায় মিঠাই খেয়ে
করবে পকেট ফুঁকা।

লাঠি ভরা হাওয়াই মিঠাই
খোকা খুকীর হাতে
পকেট ভর মিষ্টি লজেন্স
খুশিত ভীষণ মাতে।

ঘুরে ঘুরে বাজার দেখে
ওদের দুচোখ দিয়ে
তাইতো ওদের মনে অনেক
খুশি যাচ্ছে বেয়ে।

দাদার কাঁধে খোকা খুকী
উঠলো চেপে বসে
সবুজ শ্যামল রাস্তা বেয়ে
আসলো বাড়ির দেশে।

বালিশ সমাচার
জুবায়ের দুখু

বালিশ নিয়ে নালিশ করার
রাষ্ট্রকে এখন নাই
নালিশ করতে বালিশ নিয়ে
কোথা বলো যাই।

একটা বালিশ মূল্য দেখি
হাজার থেকে হাজার
ফেল মানিয়ে দিচ্ছে দেখি
দিন গুলি সেই রাজার।

বুঝলাম বালিশ রাতে অনেক
প্রয়োজন হয় বেশি
তাই বলে বিছানায় উঠতে
মূল্য নিচ্ছে কষি।

বালিশ বুঝি শিমুল তুলায়
দক্ষ হাতে গড়া
তাইতো এই বালিশের এতো
মূল্য অনেক চড়া।

মা তোমাকে মনে পড়ে
জুবায়ের দুখু

মা তোমাকে মনে পড়ে
ভীষণ মনে পড়ে
একলা দুপুর তুখড় রৌদ্রে
যখন জ্বল জ্বল করে।

মা তোমাকে মনে পড়ে
তুমি বিহীন ঘরে
কর্ম শেষে বাড়ি ফিরে
বিছানায় চোখ পড়ে।

মা মা তুমি কোথায় আছো
আমাকে পর করে
একটু কি পড়েনা মনে
ছোট্ট খোকাটারে।

আপনার মতামত লিখুনঃ