টাকার জন্য পগবাকে কিনতে পারেনি বার্সা

টাকার জন্য পগবাকে কিনতে পারেনি বার্সা
টাকার জন্য পগবাকে কিনতে পারেনি বার্সা

এফএনএস স্পোর্টস: ২০১৬ সালে কম নাটক হয়নি পগবাকে নিয়ে। জুভেন্টাসের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল হারার পর পল পগবার আর তর সইছিল না। চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বাদ পেতে আরও ‘বড়’ ক্লাবের খোঁজে নেমেছিলেন পগবা ও তাঁর এজেন্ট মিনো রায়োলা। দুটি দলের নামই বারবার উঠে এসেছেÑরিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এদের পাশাপাশি আরও একটি দলও তাঁর দিকে হাত বাড়িয়েছিল। সে দলটি আর কেউ নয়, পগবাকে চ্যাম্পিয়নস লিগ বঞ্চিত করা বার্সেলোনা।

২০১৬ সালের আগস্টে সে সময়কার দলবদলের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে ইউনাইটেডে গিয়েছিলেন পগবা। তবে যে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার জন্য জুভেন্টাস ছাড়া, সে লক্ষ্যের ধারেকাছেও যেতে পারেননি পগবা। সে সময় শুধু ইউনাইটেড নয়, রিয়ালের পাশাপাশি পগবাকে কিনতে লাইনে দাঁড়িয়েছিল বার্সেলোনাও। সেবার বার্সার পিছু হটার একমাত্র কারণ ছিল অর্থ। বার্সেলোনার বর্তমান সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তোমেউ অকপটে স্বীকার করে নিলেন সে কথা। ২০১৬ ইউরো ফাইনালে ফ্রান্সের হয়ে পর্তুগালের কাছে হেরেছিলেন পগবা। সেই টুর্নামেন্টে তাঁর খেলা ছিল চোখে লেগে থাকার মতো। যে কারণে রাতারাতি দাম বেড়ে যায় পগবার।

ইউনাইটেডকে ঢেলে সাজাতে পগবাকে আবারও ফিরিয়ে আনার চিন্তাভাবনা শুরু করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সে জন্য বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতেও সমস্যা ছিল না তাদের। বার্তামেউয়ের মতে, এ কারণেই পিছু হটতে হয় বার্সাকে, ‘২০১৫ সালে আমাদের জুভেন্টাসের সঙ্গে কথা হয়েছিল, যদি তারা পগবাকে বিক্রির চিন্তাভাবনা করে তবে আমাদের জানাতে। সে সময় আমাদের একজন মিডফিল্ডার প্রয়োজন ছিল।’ ইউনাইটেড আর রিয়ালের টানাটানিতে রাতারাতি পগবার দাম ১০০ মিলিয়ন ছাড়ায়। তখন বার্সাকে জানিয়েও লাভ ছিল না, ‘তারা যখন আমাদের জানায় যে ইউনাইটেড পগবাকে চাচ্ছে, তখন তাঁর দাম বেড়ে গেছে অনেকটা।

সে দাম আমরা পরিশোধ করতে পারতাম না। পগবা অবশ্যই বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অনেক বড় একটি নাম। তবে সে সময় এত অর্থ পরিশোধ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না।’ যত কিছুই হোক না কেন, পগবা এখন বার্সেলোনার কাছে অন্য এক নাম। ইউনাইটেড ঘুরে তাঁর সঙ্গে এখন রিয়াল মাদ্রিদের যোগসাজশ। জিদানের ইচ্ছে তাঁকে দলে ভেড়ানোর। কে জানে কিছুদিন পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের জার্সিতেই দেখা যেতে পারে পগবাকে!

আপনার মতামত লিখুনঃ