ঝুমুরকে একা পেয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাহার

ঝুমুরকে একা পেয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাহার
ঝুমুরকে একা পেয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাহার

নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি বাহার উদ্দিন। গেপ্তারকৃত বাহার উপজেলার চরকঁকাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কবুতর বাড়ীর আজিজুল হকের ছেলে। সোমবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ঘটনার বিবরণ দিয়েছে। পরে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাহার জানিয়েছেন, যে খাল থেকে মাথা পোঁতা অবস্থায় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী নাজমুন নাহার ঝুমুরের লাশ উদ্ধার করা হয়, ঘটনার দিন সেই খালের মাছ ধরছিল বাহার উদ্দিন (৩৫)। ঝুমুর আম কুড়ানো শেষে খালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। ঝুমুরকে একা পেয়ে বাহার তাকে বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঝুমুর চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরে খালের মধ্যে মাথা পুঁতে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাহার।

কোম্পানিগঞ্জ থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে বাহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু ঝুমুরকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার সকালে দুই মামাত বোনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায় ঝুমুর। কিছুক্ষণ পর মামাত বোনরা বাড়ি ফিরে গেলেও ঝুমুর থেকে যায়। বেশ কিছুটা সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফিরছিল না। এক পর্যায়ে প্রতিবেশী এক চাচি বাড়ির পাশের খালে ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছের ডাল আনতে গিয়ে ঝুমুরকে পানিতে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে। পরে বাড়ির লোকজন গিয়ে অর্ধনগ্ন অবস্থায় ঝুমুকে পানি থেকে তুলে আনে।

আপনার মতামত লিখুনঃ