জমি নিয়ে বিরোধে স্কুলটি ভেঙে দেওয়া হলো

জমি নিয়ে বিরোধে স্কুলটি ভেঙে দেওয়া হলো
জমি নিয়ে বিরোধে স্কুলটি ভেঙে দেওয়া হলো

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেকুজ্জামান স্কুলটি জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধে আজ শনিবার সকালে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পিঞ্জুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ সিকদারের লোকজন স্কুলটি ভেঙে ফেলেছে।

কাঠ-টিন দিয়ে বানানো স্কুল ঘরটি ভেঙে দেওয়ার বিষয় স্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান আবু সাইদ সিকদার। তিনি জানান, স্কুলের ওই ঘর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছিল। যেহেতু ওই কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ হবে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে বার বার ঘরটি সরিয়ে নেয়ার কথা বলা হলেও তারা তা কানে লাগায়নি। বিষয়টি তিনি উপজেলা সমন্বয় সভায় উত্থাপনও করেছেন এবং অবশেষে ঘরটি তিনি লোকজন দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা সাদেকুজ্জানের ছেলে কামরুজ্জামান বলেন, ২০০৫ সালে তিনি কাকডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে সরকারি জায়গার উপর বাবার নামে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্লে-গ্রু থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে পাঠ দান করানো হতো। সেখানে সাড়ে তিন শত ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা গ্রহণ করছিল।

পিঞ্জুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাইদ সিকদার আরো বলেন, আগামী জুনের মধ্যে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নমূলক কাজ না করলে বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত চলে যাবে। উপজেলা পরিষদের সমন্বয়সভা থেকে স্কুলটি সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে, তাই তিনি সরিয়ে ফেলেছেন।

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান বলেছেন জায়গা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের। সেখানে স্কুল কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে ঘর তুলেছিল। সেটি তিনি তার লোকজন দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন। তবে এভাবে ভেঙে দেওয়া আইনসম্মত নয়। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুনঃ