গজলডোবা খুলে দিলে তিস্তায় অকাল বন্যার আশঙ্কায় ১০ লাখ মানুষ

গজলডোবা খুলে দিলে তিস্তায় অকাল বন্যার আশঙ্কায় ১০ লাখ মানুষ
গজলডোবা খুলে দিলে তিস্তায় অকাল বন্যার আশঙ্কায় ১০ লাখ মানুষ

নজরুল মৃধা রংপুর। ফণীর প্রভাবে ভারত গজলডোবার বাধের সবগুলো গেট খুলে দিলে তিস্তার পানি দুকূল উপচিয়ে অকাল বন্যা হতে পারে। এই আশঙ্কায় ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি গেল খুলে রাখা হয়েছে। মূল ক্যনেলের পানিও কমিয়ে রাখা হয়েছে।

ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা পাড়ে বন্যার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। ফলে আতঙ্কে রয়েছে তিস্তার দুপাড়ের ১০ লাখ মানুষ। ফণীর প্রভাবে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার সারা দিন রংপুরে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে। অপরদিকে কৃষি বিভাগ কৃষকদের বোরোসহ দন্ডায়মান ফসল কাটার নির্দেশ দিলেও বজ্রপাতে আশঙ্কায় কৃষকদের মাঠে যেতে নিষেধ করেছে। ফলে ফণীর প্রভাবে উঠতি বোরোর ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে কৃষি বিভাগ বলছে এখন কাটার উপযোগী ফসল রয়েছে মাত্র ১২ শতাংশ।

এদিকে ডায়রিয়ায়সহ স্বাস্থ্য সেবা যাতে বিঘœ না ঘটে সেজন্য প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানাগেছে, শনিবার সকাল ৬ টায় তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির প্রবাহ ছিল ৫১ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার । রাতে ছিল ৫১ দশমিক ৫২ মিটার। এই পয়েন্টে বিপদ সীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার।

পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফণীর প্রভাবে ভারত যদি গজল ডোবার বাধ খুলে দেয় তা হলে তিস্তা পারে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে। যাতে পানি দ্রুত নদী ভাটিতে চলে যায়। এছাড়া ব্যারাজের মূল ক্যানেলের পানি কমিয়ে রাখা হয়েছে। বন্যা হলে ক্যানেলেও পানি সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হবে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ফণী মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। গজলডোবার থেকে যদি পানি ছেড়ে দেয় সে ক্ষেত্রে আগাম আমরা ডালিয়া ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে রেখেছি। এছাড়া মূল ক্যনেলের পানিও কমিয়ে রেখেছি। যাতে দ্রুত পানি সরিয়ে ফেলা যায়।নজরুল মৃধা রংপুর। ফণীর প্রভাবে ভারত গজলডোবার বাধের সবগুলো গেট খুলে দিলে তিস্তার পানি দুকূল উপচিয়ে অকাল বন্যা হতে পারে। এই আশঙ্কায় ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি গেল খুলে রাখা হয়েছে। মূল ক্যনেলের পানিও কমিয়ে রাখা হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা পাড়ে বন্যার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। ফলে আতঙ্কে রয়েছে তিস্তার দুপাড়ের ১০ লাখ মানুষ। ফণীর প্রভাবে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার সারা দিন রংপুরে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে। অপরদিকে কৃষি বিভাগ কৃষকদের বোরোসহ দন্ডায়মান ফসল কাটার নির্দেশ দিলেও বজ্রপাতে আশঙ্কায় কৃষকদের মাঠে যেতে নিষেধ করেছে। ফলে ফণীর প্রভাবে উঠতি বোরোর ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে কৃষি বিভাগ বলছে এখন কাটার উপযোগী ফসল রয়েছে মাত্র ১২ শতাংশ। এদিকে ডায়রিয়ায়সহ স্বাস্থ্য সেবা যাতে বিঘœ না ঘটে সেজন্য প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানাগেছে, শনিবার সকাল ৬ টায় তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির প্রবাহ ছিল ৫১ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার । রাতে ছিল ৫১ দশমিক ৫২ মিটার। এই পয়েন্টে বিপদ সীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফণীর প্রভাবে ভারত যদি গজল ডোবার বাধ খুলে দেয় তা হলে তিস্তা পারে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে। যাতে পানি দ্রুত নদী ভাটিতে চলে যায়। এছাড়া ব্যারাজের মূল ক্যানেলের পানি কমিয়ে রাখা হয়েছে। বন্যা হলে ক্যানেলেও পানি সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ফণী মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। গজলডোবার থেকে যদি পানি ছেড়ে দেয় সে ক্ষেত্রে আগাম আমরা ডালিয়া ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে রেখেছি। এছাড়া মূল ক্যনেলের পানিও কমিয়ে রেখেছি। যাতে দ্রুত পানি সরিয়ে ফেলা যায়। রংপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে,এই বিভাগের ৮ লাখ হেক্টরের ওপর বোরো আবাদ হয়েছে। এর ১২ থেকে ১৫ ভাগ ফসল কাটার উপযোগী হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫ শাতাংশ ফসল কাটা হয়েছে। ফণীর কারণে কৃষি অফিস থেকে পাকা এবং আধা পাকা ধান কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হলেও শনিবার সকালে কৃষি অফিস কৃষকদের মাঠে যেতে নিষেধ করেছে। কৃষি অফিস থেকে বলা হয়েছে মাঠে থাকলে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তাই কৃষকদের মাঠে না যাওয়াই উত্তম হবে। কিশোরগঞ্জের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, তিনি ২ একর জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছেন। এর মধ্যে ৪ ভাগের একভাগ ধান পেকেছে। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তিনি ধান কাটতে পারছেন না। রংপুর কৃষি অফিসের অতিরিক্ত উপ- পারিচালক আবু সায়েম জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কৃষকদের মাঠে না যাওয়াই উত্তম। কারণ বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরো জানান, মাঠে কাটার উপযোগী ১২ থেকে ১৫ শতাংশ বোরোসহ অন্যান্য ফসল রয়েছে। দুর্যোগ স্থায়ী না হলে এসব ফসলের তেমন একটা ক্ষতি হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রংপুর সিভিল সার্জন ডাক্তার জাকিরুল ইসলাম লেলিন বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এছাড়া জেলা সদরেও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, শনিবার পর্যন্ত রংপুর ও আশপাশ এলাকায় ৫৮ মিলি মিটারবৃষ্টি পাত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রংপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে,এই বিভাগের ৮ লাখ হেক্টরের ওপর বোরো আবাদ হয়েছে। এর ১২ থেকে ১৫ ভাগ ফসল কাটার উপযোগী হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫ শাতাংশ ফসল কাটা হয়েছে। ফণীর কারণে কৃষি অফিস থেকে পাকা এবং আধা পাকা ধান কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হলেও শনিবার সকালে কৃষি অফিস কৃষকদের মাঠে যেতে নিষেধ করেছে। কৃষি অফিস থেকে বলা হয়েছে মাঠে থাকলে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তাই কৃষকদের মাঠে না যাওয়াই উত্তম হবে।

কিশোরগঞ্জের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, তিনি ২ একর জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছেন। এর মধ্যে ৪ ভাগের একভাগ ধান পেকেছে। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তিনি ধান কাটতে পারছেন না।
রংপুর কৃষি অফিসের অতিরিক্ত উপ- পারিচালক আবু সায়েম জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কৃষকদের মাঠে না যাওয়াই উত্তম। কারণ বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরো জানান, মাঠে কাটার উপযোগী ১২ থেকে ১৫ শতাংশ বোরোসহ অন্যান্য ফসল রয়েছে। দুর্যোগ স্থায়ী না হলে এসব ফসলের তেমন একটা ক্ষতি হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রংপুর সিভিল সার্জন ডাক্তার জাকিরুল ইসলাম লেলিন বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এছাড়া জেলা সদরেও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, শনিবার পর্যন্ত রংপুর ও আশপাশ এলাকায় ৫৮ মিলি মিটারবৃষ্টি পাত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।