ওড়িষায় ১৯৫ কি.মি. বেগে আঘাত হেনেছে ফণি

ওড়িষায় ১৯৫ কি.মি. বেগে আঘাত হেনেছে ফণি
ওড়িষায় ১৯৫ কি.মি. বেগে আঘাত হেনেছে ফণি

ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার গতিবেগে ভারতের ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়েছে অতি শক্তিশালী প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণি।ভারতের আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছিল, বিকেল ৩টার দিকে ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ফণি। কিন্তু তার আগেই সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ওড়িষা উপকূলে ছোবল হেনেছে এই ঘূর্ণিঝড়।

ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে, পুরীর ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমে গোপালপুর আর চাঁদবালির মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে ফণি। সে সময় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৭৫ কিলোমিটার থেকে ১৮৫ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৯৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

ফণি দুপুর ১২টা পর্যন্ত ওড়িশায় তাণ্ডব চালানোর পর তটরেখা ধরে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে আসতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

পুরীর জগন্নাথ মন্দির সম্পূর্ণ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। ঝড়ের আঘাতে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে ওড়িশার পুরী, গোপালপুরসহ বিভিন্ন এলাকা।

জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের হিসেব অনুযায়ী গত ২০ বছরে এই অঞ্চলের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামুদ্রিক ঝড়ে পরিণত হয়েছে ফণি। এর আগে ১৯৯৯ সালে এই তীব্রতায় পৌঁছানো সুপার সাইক্লোনে প্রায় ১০ হাজার মানুষ মারা গেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফণি দিঘা উপকূল দিয়ে ঢুকে পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনা হয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে এই গতিপথের দুই পাশে বিস্তীর্ণ এলাকায়।

সংশ্লিষ্ট খবর:

⇒মধ্যরাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে ‘ফণি’

•ফণি: যেসব এলাকার মানুষ সবচেয়ে ঝুঁকিতে

•ঘূর্ণিঝড়ের নাম ফণি হল যেভাবে

•শুক্রবার সকাল নাগাদ ফণি’র প্রভাব শুরু হতে পারে

•যত সময় যাচ্ছে, ফণি ততই শক্তিশালী হয়ে উঠছে, ৭ নম্বর সংকেত