উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারপদ শূন্য হওয়ায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদ শূন্য হওয়ায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি :
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সক্ষম দম্পতির সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬শ’ ৬৬জন। যার বিপরীতে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের ১৪টিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত তদারকি না থাকায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

পরিবার করিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর পূর্বে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার আকষ্মিক মৃত্যু হয়। অদ্যবধি পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদটি শূন্য থাকায় গাইবান্ধা সদর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোসাঃ মাহবুবা খাতুন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

যেখানে নিয়মিত একজন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পক্ষে ১৪টি কেন্দ্রে তদারকি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে। সেখানে একজন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তার পক্ষে দায়িত্ব পালন কোনো ভাবেই সম্ভব নয়।

অপরদিকে, উক্ত কার্যালয়ে দুইজন মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ এন্ড এসপি) দায়িত্বে থাকলেও তারা দুজনই ছুটিতে রয়েছেন। ডাঃ মোছাঃ মোরসালিন সুলতানা মিমি গত এক বছর যাবত অর্জিত ও ডাঃ মোছাঃ মাহফুজা ইয়াসমিন যোগদানের পর থেকেই মাতৃত্বকালিন ছুটিতে রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, যিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি সপ্তাহে দুদিন আসেন কিনা তাও তার জানা নেই।

তাহেদুল ইসলাম নামের এক যুবক বলেন, উপজেলার শাখাহার ইউপির পিয়ারাপুর কমিউনিটি ক্লিনিক প্রায় সময়ই বন্ধ পাওয়া যায়। যার ফলে এলাকার লোকজন সেখানে স্বাস্থ্য সেবা না পেয়ে অন্যত্র চলে যান।

এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোসাঃ মাহবুবা খাতুন বলেন, ক্যাম্পেইন বা জরুরী কোনো প্রয়োজনে তিনি গোবিন্দগঞ্জ কার্যালয়ে আসেন। স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহতের বিষয়ে উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র হতে স্বাস্থ্য সেবা প্রত্যাশী এবং জনপ্রতিনিধিরা তার কাছে অভিযোগ করেন।

তিনি জানান, আমি একাই তিনটি উপজেলার দায়িত্ব পালন করছি। ফলে আমার পক্ষে কেন্দ্রগুলি সুষ্ঠু মনিটরিং বা তদারকি করা সম্ভব হচ্ছেনা। মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিলে জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত হবে।

আপনার মতামত লিখুনঃ