ইরানের রাস্তায় রাস্তায় কান্না

ইরানের রাস্তায় রাস্তায় কান্না
ইরানের রাস্তায় রাস্তায় কান্না

মার্কিন হামলায় নিহত ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল সোলাইমানির মৃতদেহ রোববার সকালে ইরাক থেকে তার নিজের শহর আহবাজে পৌঁছেছে।

এসময় শোক প্রকাশ করতে আহভাজের রাস্তায় রাস্তায় নেমে আসে লাখ লাখ বাসিন্দা। বুক চাপড়াতে চাপড়াতে এই শোক প্রকাশকারীদের মুখে একটিই বাক্য ছিল-‘আমেরিকা নিপাত যাক’।

শুক্রবার বাগদাদে মার্কিন হামলায় নিহত হন সোলাইমানি। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের প্রকৌশলী হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয় তাকে। দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রভাবশালী মানুষ ছিলেন কুদস বাহিনীর প্রধান।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তার। সোলাইমানির নিহতের খবর প্রকাশের কয়েক ঘন্টার মাথায় খামেনি তাই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘চরম প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে।

বিবিসি জানিয়েছে, রোববার সকালে ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর আহবাজে লাখ লাখ লোক কালো পোশাক পরে সমবেত হন। ভোরেই বাগদাদ থেকে ইরানের জাতীয় পতাকা দিয়ে মোড়ানো কফিনে সোলাইমানির মৃতদেহ আহবাজে এসে পৌঁছায়। বিমান থেকে নামানোর পর কফিন স্পর্শ করার জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত দৃশ্যে দেখা গেছে, শহরের মোল্লাভি স্কয়ারে লাখ লাখ লোক জাতীয় পতাকা ও সোলাইমানির ছবি নিয়ে হাজির হয়। এসময় অনেককে বুক চাপড়াতে দেখা যায়।

সোমবার তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে সোলাইমানির জানাজা পড়াবেন আয়াতুল্লাহ খামেনি। পরে শিয়াদের পবিত্র শহর কোমে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

বার্তা সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, রোববার পার্লামেন্টের অধিবেশনে এমপিরা ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ স্লোগান দিয়েছেন। এসময় স্পিকার আলি লারিজানি বলেছেন, ‘ট্রাম্প, শোন-এটা ইরান জাতির কণ্ঠ’।