ইতিহাসে প্রতিদিন আজ (বৃহস্পতিবার) ২৯ আগস্ট’২০১৯

(কবি নজরুলের মৃত্যু)
বাংলার বিদ্রোহী কবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুদিন আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে তিনি ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী ফকির আহমদ। নজরুলের লেখাপড়া শুরু হয় গ্রামের মক্তবে। বাল্যকালেই তিনি পিতৃহীন হন। লেখাপড়া ক্ষাও দিয়ে লেটোর দলে যোগ দেন। স্বাধীনচেতা নজরুলের স্কুলের নিয়মকানুন পছন্দ ছিলো না। তিনি কিছুদিন আসানসোলে এক রুটির দোকানে মাসিক পাচ টাকা বেতনে কাজ করেন।

সেখান থেকে এক দারোপা তাকে ময়মনসিংহ জেলার কাজীর সিমলা গ্রামে নিয়ে যান এবং দরিরামপুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি করে দেন। পরীক্ষার খাতায় উত্তর না লিখে, তিনি লেখেন কবিতা। তিনি কাজীর সিমলা ত্যাগ করে রাণীঞ্চে চলে আসেন। পুনরায় শিয়াবশেলি স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হন। দশম শ্রেণীর ছাত্রাবস্থায় যোগ দেন প্রথম মহাযুদ্ধে। ১৯১৯ সালে যুদ্ধ থেকে দেশে ফিরে আসেন।

১৯২০ সালে তিনি করাচি থেকে কলকাতায় আসেন। দেশে তখন ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন । এ সময় তিনি কবিতা লেখায় ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। সাপ্তাহিক বিজলীতে তার বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হলে সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন।

অর্ধসাপ্তাহিক ধূমকেতু সম্পাদনা করেন। ধূমকেতু পত্রিকায় আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পর রাজদ্রোহের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে প্রেরণ করা হয় হুগলী জেলে । জেলে তার অনশন ভঙ্গের জন্য স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পত্র লেখেন। তিনি বহু বিদ্রোহাত্মক কবিতা ও গান রচনা করেন। গল্প, উপন্যাস, নাটকও রচন করেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ ঃ অগ্নিবীণা, দোলন-চাপা ইত্যাদি উপন্যাস। ফণি-মনসা, ছায়ানট, সর্বহারা, চিত্তনামা, বিষের বাঁশি ইত্যাদি কাব্য।

রিক্তের বেদন, মৃত্যুষ্ণুধা, বাঁধনহারা, কুহেলিকা, আলেয়া, ঝিলিমিলি প্রভৃতি গল্পগ্রন্থ। তিনি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক হিসেবেও সুনাম অর্জন করেন। ইসলামী গান, কীর্তন প্রভৃতি ও শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেন। বাংলা সাহিত্যে তার অবদান অসামান্য ।

১৯৪৯ খ্রীস্টাব্দের এই দিনে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথমবার গোপনে পরমাণু বোমার পরীক্ষা চালায়। ফলে পরমাণু অস্ত্র বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক চেটিয়া কর্তৃত্বের অবসান ঘটে এবং এই দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এ অবস্থায় উভয় দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের চিন্তা থেকে সরে এসে পরস্পরের বিরুদ্ধে তীব্র প্রচারাভিযানে অবতীর্ণ হয়। এ পরিস্থিতিকে শীতল যুদ্ধ বলে অভিহিত করা হত এবং ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার আগ পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকে।

২০০৩ সালের এই দিনে ইরাকের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ বাকের হাকিম নাজাফ শহরে হযরত আলী(আ:) এর মাজার প্রাঙ্গনে জুমার নামাজ শেষে এক বোমা বিস্ফোরনে শহীদ হন। তার সাথে আরো ৮৩ জন মুসল্লিও ঐ বোমা বিস্ফোরণে মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। আয়াতুল্লাহ বাকের হাকিম ১৯৩৯ সালে এক ধর্মীয় পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

তিনি তার পিতা আয়াতুল্লাহ মোহসেন হাকিমের কাছে ধর্মীয় বিষয়ে পড়ালেখ করেন। পরবর্তীতে তিনি সাদ্দামের স্বৈর শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে যোগ দেন। কিন্তু সাদ্দাম তার বিরোধীদেরকে কঠোরভাবে দমনের চেষ্টা করলে আয়াতুল্লাহ বাকের হাকিম ইরাকের বাইরে অর্থাৎ ইরানে থেকে সাদ্দাম বিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত রাখাকেই শ্রেয় মনে করলেন। তিনি ১৯৮১ সালে প্রথম ইরাকে ইসলামী বিপ্লবী উচ্চ পরিষদ বা সাইরি দল গঠন করেন।

২০০৫ সালের এই দিনে ঘূর্ণীঝড় ক্যাটরিনা যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রদেশে ভয়াবহ আঘাত হানে। ঐ অঞ্চলের জনগণ গত ১০০ বছরে এত মারাত্মক ঝড়ের সম্মুখীন আর কখনও হয়নি। প্রচন্ড ঘূর্ণীঝড় ও সমুদ্রের পানির তোড়ে এই তিনটি প্রদেশ পানির নীচে তলিয়ে যায় এবং এক হাজারেরও বেশী মানুষ নিহত ও লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবাড়ী হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাতে বাধ্য হয়।

কিন্তু যে বিষয়টি সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে তাহলো এতবড় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থরা ত্রাণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের কাছ থেকে চরম বৈষম্যের শিকার হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের বেশীরভাগই কৃষ্ণাঙ্গ বলেই তাদের প্রতি অবহেলা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা প্রেসিডেন্ট বুশের জন্য আরেকটি কেলেঙ্কারী হয়ে দাড়ায় এবং সমালোচনা কমিয়ে আনার জন্য বুশ ত্রাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েক পদস্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ করতে বাধ্য হন।

ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জন্ম (৫৭০)
হাঙ্গেরীতে রাজতন্ত্রের অবসান। ১৫০ বছরের তুর্কি দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা (১৫২৬)
মাইকেল ফেরাডের বিদ্যুৎ প্রবাহ আবিষ্কার (১৮৩১)
নানকিন চুক্তি স্বাক্ষর। এ্যাংলো-চীন যুদ্ধ সমাপ্ত (১৮৪২)
রুশ-জাপান শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর (১৯০৫)
স্লোভাকিয়ায় অভ্যুখানের সূচনা (১৯৪৪)
জর্দানের প্রধানমন্ত্রী হাজা আল মাজালি আততায়ীর হাতে নিহত (১৯৬০)
আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে জরুরি অবস্থা ঘোষণা। ন্যাশনালিস্ট পার্লামেন্টারি গ্রুপ নিষিদ্ধ (১৯৯০)
সোভিয়েত ইউনিয়নে কমিউনিস্ট পাটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সংসদে প্রস্তাব গৃহীত (১৯৯১)
আফগানিস্তানে রাশিয়ার এক দশকের অভিযানের সমাপ্তি (১৯৯২)
আলজেরিয়ায় জঙ্গী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৩ শতাধিক নিহত (১৯৯৭)
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথলী ব্রিজের রেলিং ভেঙ্গে বাস নদীতে পড়ে ৪০ জন নিহত (১৯৯৭)

আপনার মতামত লিখুনঃ