আত্রাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার ৫ হাজার মানুষ হুমকীর মুখে

আত্রাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার ৫ হাজার মানুষ হুমকীর মুখে

মোঃ জাহিদ হোসেন, দিনাজপুর : অন্যান্য জেলার ন্যায় দিনাজপুর জেলার নদ-নদীগুলির পানি দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর উপজেলার ২নং সুন্দরবন ইউনিয়নের আত্রাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে শহর মুখে পানি প্রবেশ ও অত্র এলাকার ৫ হাজার বসবাসরত মানুষের রাতের ঘুম বন্ধ।

জানা গেছে, দিনাজপুরে গত কয়েক দিন ধরে ভারি বর্ষনের ফলে নদ-নদীর পানি ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব নদীগুলির মধ্যে আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার সদর উপজেলার ২নং সুন্দরবন এলাকায় ঠুটিরঘাট নামক নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে জরুরী ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড দায়সাড়া বাঁশ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করলে এলাকার মানুষ তা সন্তুষ্ট নয়।

এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ইতিপূর্বে আত্রাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় উক্ত এলাকাসহ শহরে বন্যা পানিতে প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছিল। বর্তমানে আত্রাই নদীর বাঁধ বেশ ক’জায়গায় ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ড তরিঘড়ি করে অনেক অর্থ ব্যয়ে বাঁশ দিয়ে কোন রকম দায় সাড়া কাজ করছে যা এলাকাবাসী ইতিমধ্যে ফুসে উঠেছে।

সরেজমিনে নদীর ভাঙ্গন পরিদর্শন করেছে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজুল ইসলাম। এদিকে আত্রাই নদীর বাঁধ এলাকার ঠুটিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সাবেক প্রধান শিক্ষক ভবোতোষ রায় জানান, উক্ত বাঁধে ২০ গজের মধ্যে তাদের বসতবাড়ী বর্তমানে বাঁধ ভাঙ্গনের স্পটগুলি সঠিকভাবে সংস্কার না করলে নদীর পানির তোড়ে বাড়ী ঘর এবং এলাকার ৫ হাজার বাড়ি তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন।

অপরদিকে নদীর বাঁধ ভাঙ্গন এলাকায় পরিদর্শন করতে গেলে দায়িত্বরত পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বাঁধের কয়েকটি স্থানে ভেঙ্গে যাওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে তিনি বলেন, শহর রক্ষা বাঁধ আগামী বছরে স্থায়ীভাবে প্রতিরক্ষার কাজ সমূহ সম্ভাবনা হতে পারে ২০০ মিটার। যেমন ভুষিরবন্দর বীজ হতে ধনিগ্রাম গর্ভেশ্বরী নদীর মুখ পর্যন্ত।

আপনার মতামত লিখুনঃ