অনলাইনে কেনকাটা: প্রতারণা, বিড়ম্বনা ও করণীয়

অনলাইনে কেনকাটা: প্রতারণা, বিড়ম্বনা ও করণীয়
মানুষ এখন টাকার চেয়ে সময়কে অধিকতর মূল্য দেয়। কথায় আছে, হারানো স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া যায়, হারানো সম্পদও ফিরে পাওয়া যায়, তবে কখনই হারানো সময়কে ফিরে পাওয়া যায় না।
প্রতিযোগিতার এ পৃথিবীতে মানুষের ব্যস্ততা এখন বেশি। সময়কে ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। লড়াকু মানসিকতার পেছনে মানুষের পারিবারিক, অফিসগত ও পারিপাশ্বিক নানাবিধ কারণ থাকতে পারে। প্রযুক্তির যুগে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীলতাও এর কারণ হতে পারে।
সবাই চায়, প্রযুক্তির সদ্ব্য ব্যবহার হোক। প্রযুক্তি যখন ঘরে বসে কেনাকাটা করার সূবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে, তাহলে তা গ্রহণ না করাটা বোকামিই এক প্রকার। তাইতো প্রয়োজনে হোক আর ইচ্ছাবোধ থেকেই হোক, প্রতিনিয়ত বাড়ছে অনলাইনে কেনাকাটার পরিসর। বর্তমানে অনলাইনে কেনাকাটার যে আগ্রহবোধ মানুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে, তাকে স্বাগত জানাই। মানুষ তার জন্য ব্যয়িত সময়কে যদি কোনো উৎপাদনমুখী কাজে ব্যয় করতে শেখে, তবে অনলাইনে কেনকাটার সুযোগটা কাজে লাগানো বাঞ্চনীয়।
অলসতা কিংবা অবসরযাপনের তাগিদে অনলাইন নির্ভরতা কখনই কাক্সিক্ষত সুখ আনতে সক্ষম হবে না। অনলাইন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের কতটুকু সহজ ও স্বাচ্ছন্দবোধে কেনাকাটা করার সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে, সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক।
অনলাইনে কেনাকাটা নিয়ে প্রথমেই আমি আমার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করছি। মাঝেমধ্যে খবরে আসে, অনলাইনে পণ্য কিনে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। মোবাইল, ঘড়ি অর্ডার করে পাচ্ছে পেঁয়াজ, সাবান কিংবা বালুর প্যাকেট! আশার কথা, আমি এমন কিছু পাইনি।
আমি যেহেতু প্রযুক্তি নিয়ে কাজকর্ম করি, তাই এ সর্ম্পকিত বিভিন্ন পণ্য মাঝেমধ্যে অনলাইনে অর্ডার করে থাকি সচরাচর যেগুলো হাতের নিকট পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। কিন্তু বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। আর প্রতারণা তো রয়েছেই। সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা হল, অনলাইনে অর্ডার করে সময় মত পণ্য পাওয়া যায় না, ভাঙ্গা বা নষ্ট পণ্য ডেলিভারি করে যা কোনো মতেই ব্যবহারযোগ্য নয়। অপরিমেয় বিরক্ততা এতে। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ফোন দিয়ে কানের পোঁকা বের করে ফেলে।
আমি অবাক হয়েছি, তারা পণ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে যতটা না ভাবে, তার চেয়ে ভাবে প্রতিষ্ঠানের রিভিউ নিয়ে। প্রতারণা কিংবা বিড়ম্বনা এড়াতে তাদের মাথা ব্যথা চোখে পড়ে নাই আমার। ফলত নষ্ট বা ভাঙ্গা পণ্য ফেরত দেওয়ার জন্য আবেদন করলে ‘আসি’ বলে আর আসে না। এ ধরণের প্রতারণা, বিড়ম্বনা প্রত্যেকের সাথেই যদি কমবেশি ঘটে, তাহলে অনলাইন মার্কেট কোন দিকে অগ্রসর হবে, তা এখনই ভাববার বিষয়।
বৈদেশিক আর্থিক লেনদেন প্রতিষ্ঠান ‘আইপে’ এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব জাকারিয়া স্বপনের সাথে অনলাইন প্লাটফর্মের ভবিষ্যৎ বিষয় নিয়ে একটি সেমিনার করার সুযোগ হয়েছিল। তিনি একজন সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা। বাংলাদেশের অনলাইন মার্কেটে যে প্রতারণা হচ্ছে তা শিকার করে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিখাতে আমাদের পিছিয়ে পড়ার একমাত্র কারণ এই প্রতারণা।
এটি মানুষকে নিশ্চিতভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করছে। যার কারণে অনলাইন মার্কেটগুলো বিস্তৃতি লাভ করতে পারছে না, বড় বড় উদ্যোক্তরা বিনিয়োগ করেও সাহস পাচ্ছে না। এ থেকে উত্তরণে আমাদেরকে অনেক সভ্য হতে হবে।’ আসলেই, আমাদের দেশে সংঘটিত প্রযুক্তিগত বিভিন্ন অপকর্ষতা বারবার প্রমাণ করছে, আমরা কোনোক্রমেই সভ্য নই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো যেখানে পারস্পারিক সৌর্হাদ্যবোধ জাগ্রত করবে, অথচ এসব থেকে মানুষজন উগ্রপ্রন্থি হচ্ছে।
বর্তমানে সামাজিক যে ভাঙ্গন দেখা যাচ্ছে, তা অসভ্যদের কাজের মধ্যেই পরিগণিত হয়। এই বাধ্যবাধকতার কারণে আমাদের দেশে অনেক শিক্ষিত বেকাররা তাদের নিজস্ব কর্মক্ষেত্র প্রস্তুত করতে অনলাইন মার্কেটকে প্রথমে স্থান দিয়েও বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে।  কিছু পরিচিত অনলাইন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের চাক্ষুস প্রতারণায় গ্রাহকরা কারও প্রতি আগ্রহের জন্ম দিতে পারছে না। দেশের শীর্ষ অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বলছে, ভোক্তার অভিযোগ শূন্যের কোটায় আনা সম্ভব নয়।
বিশ্বব্যাপি অনলাইন বিপ্লবের যে সমাহার চোখে পড়ছে, তা সত্যই আধুনিকতার সর্বোচ্চ সুবিধা এটি। তবে এটি নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় বেড়ে না উঠার কারণে বর্তমানে নানা জটিলতা চোখে বাঁধছে। অনলাইন প্রতিষ্ঠান রাতারাতি বাড়লেও এদের নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো সংস্থা।
ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের তথ্য মতে, বর্তমানে সেবা চালু রেখেছে সাড়ে ৭শ’র বেশি অনলাইন প্রতিষ্ঠান, আর ফেসবুকে পেজ খুলে পণ্য বিক্রি করছে আরও ১০ হাজারের বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই বিপুল সংখ্যক প্রতিষ্ঠান যদি লাগামহীনভাবে তাদের কার্যক্রম চালায়, জবাবদিহিতার আওতায় না আসে, তবে গ্রাহক প্রতারণা ক্রমশ বাড়তে থাকবে। যখনই এসব প্রতিষ্ঠানকে হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব হবে না, তখনই তারা সরলতার সুযোগে ভোক্তাদের টাকা লুটবে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিশ্রুত সেবা না দেয়ায় গত এক বছরে ৮টি অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৩৩টি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের কাছ থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এর মধ্যে আইন মোতাবেক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে অভিযোগকারীদের। সংস্থাটি বলছে, চুক্তি মোতাবেক ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে হবে পণ্য।
যাইহোক, অনলাইনে কোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই যেটি দরকার তা হচ্ছে সচেতনতা। কোনো আকর্ষণীয় বা লোভনীয় বিজ্ঞাপন বা অফার দেখেই হুট করে কিনতে যাওয়া ঠিক হবে না। প্রথমে প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা এবং মালিকের নাম-ঠিকানায় অসামঞ্জস্য আছে কি না ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অনেক অনলাইন প্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।
ওয়েবসাইটে ট্রেড লাইসেন্সের কপি আছে কি না দেখতে হবে, যদি না থাকে তাহলে ট্রেড লাইসেন্স করা আছে কি না এবং থাকলে তার নিবন্ধন নম্বর কত তা জেনে নিতে হবে। কোনো মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতে বললে নম্বরটি একাধিক নম্বর থেকে ফোন করে যাচাই করে নেওয়া ভালো। আর কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য দিতে বললে নির্দিষ্টভাবে পণ্য সরবরাহ যেন করা হয় এবং কেনার রসিদ দেওয়া হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। যেকোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আগে পণ্য সরবরাহ করে এবং তা পাওয়ার পর বিক্রয় প্রতিনিধিকে সরাসরি মূল্য পরিশোধ করা যায় এমন ওয়েবসাইট বা মাধ্যমগুলোয় নির্ভর করা ভালো। আমার অভিজ্ঞতা বলে, ৫০০ টাকার বেশি মূল্যের জিনিস অর্ডার করলে তা ক্যাশ ডেলিভারি দেওয়া যায়। তাই এটি মানাই যুক্তিসই।
অনলাইন কেনাকাটা প্রসঙ্গ আসলে, প্রত্যেকেই এর আইন সর্ম্পকে জানতে চায়। অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা এড়াতে ধরাবাঁধা আইন বা বিধিবিধান নেই। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় আদালতে। প্রতারণার মামলাও করা যায়।
এসব বিষয়গুলো বেশিরভাগ লোকই জানে না। সুনির্দিষ্ট আইন প্রনয়ণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে প্রচার করলে তা সকলের বোধগম্য হবে। আশার কথা হল, ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করলে এ বিষয়ে ভোক্তারা সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ পাচ্ছে। এজন্য প্রথমেই অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং কী ধরনের প্রতারণার শিকার হলেন তা সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে।
পরবর্তী সময়ে পণ্য কেনা বা হাতে পাওয়ার তারিখ হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হবে। অধিদপ্তর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা প্রদানের আদেশ দেবে অধিদপ্তর। এ জরিমানা হিসেবে যে টাকা আদায় করা হবে তার ২৫ শতাংশ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে দেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও অবগত করতে হবে। অনলাইন প্রতারণা এড়াতে ভোক্তা অধিদপ্তের এমন উদ্যোগকে গতিশীল করতে সুনির্দিষ্ট বিধিমালা দরকার।
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ বা গ্রুপের মাধ্যমে কেনাকাটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে পেজ খুলে অনলাইনে ব্যবসা করছেন। লাইভে এসে পণ্য সর্ম্পকে নানা তথ্য দিয়ে গ্রাহকদেরকে অবগত করছে। এখানেও কেনাকাটা করতে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। ফেসবুকে কেনাকাটা করতে হলে একই ধরনের অন্যান্য পেজের সঙ্গে তুলনা করে ধারণা নেওয়া উচিত এবং নিজের পর্যবেক্ষণ-ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বিশ্বাসযোগ্য পেজগুলো থেকে অর্ডার দেওয়া ভালো।
কোনো পণ্য কিনতে হলে যদি পণ্য হাতে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধের সুযোগ না থাকে অর্থাৎ অগ্রিম মূল্য দিতে হলে অর্ডার নিশ্চিতকরণের কোনো উপায় আছে কি না জেনে নিতে হবে। এসএমএস কিংবা ই-মেইলের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে বলতে হবে। কোনো পণ্য কিনলে পণ্য বাবদ ক্রয়-রসিদের স্ক্যান কপি চাইতে হবে এবং অনুরোধ করতে হবে পণ্যের সঙ্গে যেন রসিদের মূল কপিটি পাঠানো হয়।
পণ্যটি কীভাবে পাঠানো হবে এবং কোন মাধ্যমে তা আগেভাগেই নিশ্চিত হতে হবে। মনে রাখা জরুরি, আইনের আশ্রয় নিতে গেলে কিন্তু প্রমাণ থাকা চাই। আইনের জটিলতার কারণে অনেকে প্রতারিত হয়েও সহ্য করে। (যেমন, আমি অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারিত হয়েও আইনের সহযোগিতা নেওয়ার কথা ভাবিনি। এক প্রকার অনীহা কাজে করে।) তাই আইনের সেবাপ্রাপ্তির বিষয়টিকে সহজীকীকরণ করতে হবে।
পরিশেষে, অনলাইনে কেনাকাটা আমাদের যতটা সহজসাধ্যতা এনে দিয়েছে, তার পাশাপাশি কিছু প্রতিবন্ধকতারও জন্ম দিয়ে চলেছে। কেন এসব প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্টদেরকে খতিয়ে দেখতে হবে। এছাড়া অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত পণ্য ডেলিভারির দিকে নজর দিতে হবে। অর্ডার করার দীর্ঘদিন পর পণ্য ডেলিভারি অনেকক্ষেত্রে ক্রেতাকে ধৈর্র্য্যহীন করছে।
এতে গ্রাহকরা অনেক সময় আগ্রহ হারাচ্ছে। অনলাইন মার্কেট এখনও শতভাগ বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি বলে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সুসর্ম্পক গড়ে উঠতে পারেনি। স্বাভাবিকভাবেই যেসব প্রতিষ্ঠান প্রতারিত করে থাকে, তাদের প্রতারণার বিষয়গুলো আমাদেরকে উন্মোচন করতে হবে। এতে অন্যরা সচেতন হবে। অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলোও খেয়ালি হবে। মোদ্দা কথা, তাদের ব্যবসায়িক মানসিকতা তৈরি করতে হবে। অনলাইন কেনাকাটাকে নির্ভরযোগ্য করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছতার আওতায় আসতে হবে।
তাদেরকে ভাবতে হবে, আমরা কাউকে ঠঁকাতে আসিনি। বরং সেবা দিতে এসেছি। আইনের কঠোরতা অনলাইন এই প্লাটফর্মকে নির্ভরযোগ্য করতে পারে। বিড়ম্বনা ও প্রতারণা শূন্যের কোটায় আসলে এ ক্ষেত্রে ব্যবসায় মালিকপক্ষ যেমন লাভবান হবে, তেমনি ভোক্তারাও সুবিধা পাবে। দু’য়ের বিবেচনায় অনলাইন মার্কেট জনপ্রিয়, বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠুক, সে প্রত্যাশা করছি।
সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
মোহাম্মদ অংকন
কবিতা, গল্প ও কলাম লেখক
সম্পাদক, কাঁচাগোল্লা ম্যাগাজিন, ঢাকা।
বি.এস.সি. ইঞ্জি. ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং।
প্রকাশিত বই: দুষ্টুদেরও বুদ্ধি আছে (শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ)।
বাসা: ৭৩১, আশকোনা, দক্ষিণখান, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
আপনার মতামত লিখুনঃ