অগ্নিদগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালে মৃত্যুর সংখ্যা ৯ এ দাঁড়াল

অগ্নিদগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালে মৃত্যুর সংখ্যা ৯ এ দাঁড়াল
অগ্নিদগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালে মৃত্যুর সংখ্যা ৯ এ দাঁড়াল

নজরুল মৃধা রংপুর: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শীতের ছোবল থেকে বাঁচতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে আরো দুই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে গত ১৫ দিনে রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ৯ জন মারা গেল। এদের মধ্যে সাতজন নারী ও দুইজন শিশু। এখনো অগ্নিদগ্ধ ১৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান ডা. এম এ হামিদ জানান, রংপুর নগরীর কোটারপাড়া এলাকার মৃত সাকির উদ্দিনের স্ত্রী আরেফা বেগম (৮৫) এবং নগরীর স্টেশন আলমনগর এলাকার মানিক মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৯০) অগ্নিদগ্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে মারা গেছে।

মৃত দুই বৃদ্ধা আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে গত ৪ জানুয়ারি বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছিলন। তাদের শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল। এছাড়াও গত দুইদিনে আরও তিনজন নারী দগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের শরীরের ৪৫ থেকে ৫০ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইউনিটে ১৮ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

ডা. এম এ হামিদ আরও জানান, প্রতিবছরই আগুন তাপাতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। এজন্য জনগণের সচেনতা প্রয়োজন। আমরা সব সময়ই পরামর্শ দিচ্ছি শীতের হাত থেকে বাচতে যাতে কেউ খড় কুটা জ্বালিয়ে আগুন না তাপায়।

গরম কাপড় পরিধান করা, আগুন না পোহানো এবং বৃদ্ধ ও শিশুদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘুমাতে যাওয়া ও দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা জরুরী। এ নিয়মগুলো মানলে অগ্নিদগ্ধের সংখ্যা কমবে বলে তিনি মনে করেন।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে উঠা নামা করচে। এধরণে আবহাওয়া আরো দু থেকে ৩ দিন থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।